ডিম রান্নার ৫ ধাপ। ছবি: সংগৃহীত।
ডিম কিনছেন, প্রণালী মেনে রাঁধছেন এবং খাচ্ছেনও। ডিমের ঝোল হোক বা ভাজা, অমলেট হোক বা পোচ, প্রাতরাশ থেকে নৈশভোজে প্রোটিনের এই উৎসের জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু ডিম খেয়ে সম্পূর্ণ পুষ্টি কি শরীরে মিলছে? বা শরীর কি প্রদাহনাশী গুণটুকু নিতে পারছে? আপনার রন্ধনপ্রণালীতে কোনও ভুল থেকে যাচ্ছে না তো? ডিম ভুজিয়া বা অমলেটকেও কিন্তু সহজে প্রদাহনাশী খাবারে পরিণত করে ফেলতে পারেন। আপনার প্রাতরাশ হয়ে উঠতে পারে পুষ্টির ‘পাওয়ারহাউস’। রান্নার নিয়মে ৫টি ধাপ কেবল মেনে চলতে হবে।
ডিম রাঁধবেন কী ভাবে? ছবি: সংগৃহীত
ডিমের ভুজিয়া বা অমলেটকে বানিয়ে তুলুন প্রদাহনাশী এক খাবার। শিখে নিন ধাপে ধাপে—
১. দু’টি গোটা ডিম ফেটিয়ে নিন পাত্রে। দিনে দু’টি কুসুম খেতে পারবেন কি না, তা অবশ্যই নিজের শরীরের প্রেক্ষিতে যাচাই করে নেওয়া উচিত। চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নিলে সবচেয়ে ভাল হয়।
২. প্রদাহনাশী গুণ যোগ করার জন্য ফেটানো ডিমে অল্প হলুদ মিশিয়ে দিতে পারেন।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য গোলমরিচগুঁড়োও মেশানো যায়। এতে অন্ত্রও ভাল থাকে। অল্প নুনও মিশিয়ে নিন।
৪. এ বার পছন্দের সব্জি মেশাতে ভুলবেন না। পেঁয়াজ, টম্যাটো, মাশরুম, জলপাই ইত্যাদি কুচিয়ে মিশিয়ে দিন। এর ফলে ডিমের এই পদে অ্যান্টি-অক্সি়ড্যান্ট, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যুক্ত হয়ে যাবে।
৫. প্রচুর তেল বা উচ্চতাপে রান্না করলে ডিমের গুণ অল্প হলেও নষ্ট হয়ে যায়। তাই ঢিমে আঁচে, নামমাত্র তেলে ভুজিয়া বা অমলেট বানাতে পারেন।