তীব্র গরমে পোষ্য কুকুরকে কী কী খাওয়াবেন? ছবি: ফ্রিপিক।
গরমের সময় এলেই পোষ্যদের অস্থিরতা বাড়ে। নানা শারীরিক সমস্যাও দেখা দেয়। মানুষের মতো পোষা কুকুরেরও কিন্তু হিটস্ট্রোক হতে পারে। গরমে শরীরে জলশূন্যতা দেখা দিতে পারে। সে কারণেই এই সময়টাতে পোষ্যের একটু বেশিই খেয়াল রাখতে হবে অভিভাবকদের। কী খাওয়াবেন আর কী নয়, ঘরের তাপমাত্রা ঠিক কত থাকলে ভাল হয়, এই সব খুঁটিনাটি জেনে রাখা ভাল।
কী কী খাওয়াবেন পোষ্যকে?
পোষ্যকে ভাল করে স্নান করাতে হবে নিয়মিত। প্রয়োজনে দিনে একাধিক বার স্নান করানো যেতে পারে। কুকুরকে স্নান করানোর সময়ে স্নানের জলে মিশিয়ে দিতে পারেন অল্প বরফের টুকরোও।
পোষ্যের খাওয়াদাওয়া নজর দিতে হবে বেশি। গরমে পর্যাপ্ত জল খাওয়াতেই হবে, না হলে পোষা কুকুরের শরীরেও ডিহাইড্রেশন বা জলশূন্যতার সমস্যা দেখা দিতে পারে। শুধু মাংস বা ডগ বিস্কুট নয়, কুকুরের স্বাস্থ্যের জন্য আরও অনেক কিছুই প্রয়োজন। গরমে বেশি করে ফল খাওয়ালে ভাল। শসা, তরমুজের মতো ফল, যাতে জলের পরিমাণ বেশি, সেগুলি খাওয়াতে পারেন পোষ্যকে।
কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার এনার্জির জোগান দেয়, সহজপাচ্যও বটে। ভাত, ওটস, আলু, গাজর, বিনস, দেওয়া যেতে পারে নিয়মিত।
পোষ্যের ওজনের ২ থেকে ৩ শতাংশ ওজনের খাবার তাকে দেওয়া উচিত। প্রয়োজনে সেই খাবারটিকেও কয়েকটি অংশে ভাগ করে নেওয়া যায়। পোষ্যদের জন্য তৈরি কেনা শুকনো খাবার এবং বাড়িতে রান্না করা খাবার মিশিয়ে তাদের ডায়েট তৈরি করা যেতে পারে। পোষ্যকে দিনে দু’বার খাবার খাওয়ার অভ্যাস করানো উচিত— সকাল এবং রাত। কারণ, পোষ্যদের হজমের গতি ধীর হয়। এক বার খাবার খাওয়ার পর তারা ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই থাকতে পারে।
আঙুর, পেঁয়াজ, রসুন, কিশমিশ ইত্যাদি দেওয়া যাবে না কুকুরকে। দুধও সরাসরি না দিয়ে দই দেওয়া ভাল। কোনও বেকারিজাত খাবার দেওয়া উচিত নয়। অর্থাৎ পাউরুটি, কেক চলবে না।
চকোলেট বা মিষ্টি জাতীয় খাবার একেবারেই দেবেন না।
পোষ্য যে ঘরে থাকবে সেখানকার তাপমাত্রা ২৪-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে ভাল হয়। গরমে পোষ্যেরা তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। খিদে কমে যায়, ঝিমুনি বাড়ে। তাই পোষ্যকে যে ঘরে রাখবেন সেই ঘরটি যেন ঠান্ডা থাকে, তা দেখতে হবে।