রুটি হোক নানা স্বাদের। ছবি: সংগৃহীত।
ভারতের মতো দেশে বিভিন্ন রাজ্যেই প্রধান খাবারের তালিকায় পড়ে ভাত এবং রুটি। তাই অন্য খাবারের পুনরাবৃত্তি হোক না হোক, এই দু’টি খাবার প্রায় রোজই খেতে হয়। কিন্তু নিয়মিত রুটিও কি ভাল লাগে?
ছোট্ট কৌশলে রুটিরও স্বাদ বদল সম্ভব। জুড়ে দেওয়া সম্ভব বাড়তি পু্ষ্টিগুণও। কী ভাবে রোজের রুটি অন্য রকম করতে পারেন?
ডাল-রুটি
রুটি তবে ডালের পুর ভরা। ছোলার ডাল ভিজিয়ে রাখুন। তার পরে নুন দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। তবে যেন গলে না যায়, গোটা থাকে। জল ঝরিয়ে ডাল, কাঁচালঙ্কা, নুন মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। মিশ্রণটি আধ বাটা হবে। এর সঙ্গে যোগ করুন পেঁয়াজ, ধনেপাতা কুচি। লেচি হাত দিয়ে বাটির মতো করে ডালের পুর ভরে রুটির মতো বেলে নিন। তার পরে সেঁকে নিলেই হল।
পালং রুটি
পালং শাক বা পছন্দের অন্য যে কোনও শাক নুন দিয়ে ভাপিয়ে জল ঝরিয়ে মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। আটা মাখার সময় অল্প ময়ান দিন, সঙ্গে দিন শাক বাটা। তা দিয়েই ভাল করে আটা মাখতে হবে। সবুজ শাকের জন্য রুটি হবে রঙিন। লেচি কেটে বেলে রুটি করে নিলেই হল। শাকে থাকে ভিটামিন, খনিজ এবং ফাইবার। ফলে যাঁদের ডায়াবিটিস আছে, তাঁদের জন্য এই রুটি ভাল। ফাইবার থাকায়, রুটি খেলেও চট করে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাবে না।
সজনেপাতার রুটি
সজনেপাতা ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর। পুষ্টিগুণের জন্যই এর এত কদর। সজনেপাতা নুন দিয়ে ভাপিয়ে নিন। আটায় কিছুটা বেসন দিন। ময়ান দিন তেলের। যোগ করুন অল্প জোয়ান। ভাপানো জল ঝরানো সজনেপাতা দিয়েই আটা মেখে নিন। তার পরে রুটি বানিয়ে নিন।