Japanese walking

জাপানি হাঁটার কৌশলে ওজন কমবে, সুগারও হবে না, যৌবন ধরে রাখা যাবে দীর্ঘ দিন, শিখে নিন পদ্ধতি

হাঁটাহাঁটি করে ওজন কমানোর নানা পন্থা নিয়ে এখন চর্চা হচ্ছে বেশি। কখন হাঁটবেন, কতটা হাঁটবেন, কী নিয়মে হাঁটবেন— সে নিয়ে নানা মতামত দিচ্ছেন ফিটনেস প্রশিক্ষকেরা। কিন্তু জাপানি কৌশলে হেঁটে দেখেছেন কখনও? সে পদ্ধতিতে হেঁটে স্থূলত্ব ও ডায়াবিটিস থেকে কয়েক যোজন দূরে রয়েছেন জাপানিরা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ মে ২০২৬ ১২:৩২
Walk your way to Fitness, the Japanese Method for weight loss and diabetes control

জাপানি হাঁটার কৌশলে কমবে ওজন। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

ওজন কমাতে হোক বা সুগার বশে রাখতে, হাঁটার চেয়ে ভাল উপায় কিছু হতে পারে না। সকলেই তো জিমে গিয়ে কসরত করতে পারেন না, সেখানে হাঁটাই সবচেয়ে ভাল বিকল্প হতে পারে। বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে, যাঁরা বাতের ব্যথায় কাতর, শারীরিক কারণে ব্যায়াম করতে পারেন না, তাঁরা যদি দিনে ১৫-২০ মিনিট হাঁটেন, তা হলেও উপকার হয়। হাঁটা মানেই যে ১০ হাজার পা, তা কিন্তু নয়। হাঁটারও অনেক কৌশল আছে। জাপানিরা তা শিখিয়েছেন। এমন অনেক পদ্ধতি আছে যাতে ওজন কমবে, সুগার হবে না, খিদে বাড়বে এবং অকালবার্ধক্যও প্রতিরোধ করা যাবে। তেমনই কিছু কৌশল শিখে নেওয়া ভাল।

Advertisement

হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভাল ওয়াকিং

জাপানিরা এই পদ্ধতি খুব পছন্দ করেন। সহজ করে বললে, বেশি সময় ধরে হাঁটা ও বিরতি নিয়ে হাঁটা। এমন হাঁটায় গতি কিন্তু মাঝেমধ্যেই বদলাতে হবে। খুব জোরে হাঁটতে হবে তা যেমন নয়, আবার খুব ধীরেসুস্থে হাঁটবেন তা-ও নয়। পুরোটাই গতি নিয়ন্ত্রণ ও সময় ধরে হয়। প্রথম ৫ মিনিট হবে ‘ওয়ার্ম আপ’। এই সময়ে ধীর গতিতে হাঁটতে হবে। যদি এই পদ্ধতিটি ১০ মিনিট করতে চান, তা-ও পারেন। সবটাই নির্ভর করবে শারীরিক সক্ষমতার উপরে। ৫-১০ মিনিট ধীর পায়ে হাঁটার পর গতি বৃদ্ধি করতে হবে। পরবর্তী ৫-১০ মিনিট খুব দ্রুত গতিতে হাঁটতে হবে। পরের পরের ৫ মিনিট ধীর গতিতে হাঁটতে হবে। এই পদ্ধতিতে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে, পেশি সক্রিয় হবে, ব্যথাবেদনা কমবে এবং হার্টও ভাল থাকবে।

নাম্বা-আরুকি

জাপানের খুব প্রাচীন এক পদ্ধতি যাতে সারা শরীরের ব্যায়াম হয়। এ ভাবে হাঁটতে হলে ডান পা এগিয়ে দেওয়ার সময় ডান হাতটিও সামনে যাবে। অর্থাৎ, শরীরের একই দিকের হাত ও পা একই সঙ্গে এগোবে ও পিছোবে। সাধারণত উল্টোটই হয় হাঁটার সময়ে। এ ভাবে হাঁটলে ক্লান্তি আসে না, অস্থিসন্ধির ব্যথাও কমে যায়।

মাইক্রো-ওয়াকিং

মাইক্রো-ওয়াকিংয়ে টানা ১০ মিনিট হাঁটতে হয় না। ২-৩ মিনিট হেঁটে, ৩০ সেকেন্ড বিরতি নিন। আবার হাঁটুন। যাঁরা কোনও রকম শরীরচর্চা করেন না অথবা শারীরিক কসরতও কম হয়, তাঁদের জন্য বিরতি নিয়ে হাঁটার পদ্ধতি খুবই উপকারী হতে পারে। তবে বিরতির সময়টুকু যেন ১০ বা ১৫ মিনিট না হয়ে যায়, সেটা খেয়াল রাখতে হবে।

ড্র-ইন মেথড

হাঁটার সময়ে পেটের পেশিকে ভিতরে টেনে ধরে রাখা। ছোট ছোট কদমে হাঁটতে হবে। আর প্রতি বার পা ফেলার সময়ে পেটের পেশি সঙ্কুচিত করে টেনে ধরে রাখতে হবে। এই পদ্ধতিতে ভুঁড়ি কমবে, রক্তে শর্করাও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

Advertisement
আরও পড়ুন