Child Health

শিশুর শরীর ঠিক আছে তো? কোন ৫ লক্ষণ দেখলে বোঝা যাবে গুরুতর শারীরিক সমস্যা হতে পারে?

শিশু ঠিক সময়ে খাচ্ছে, ঘুমোচ্ছে। স্কুলেও যাচ্ছে। এ সব দেখে সুস্থ মনে হওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু এমন কিছু লক্ষণ থাকে যা দেখা গেলেও এড়িয়ে যান বাবা-মায়েরা। হতেই পারে সে সব লক্ষণ গুরুতর শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাই সতর্ক থাকা জরুরি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৪ মে ২০২৬ ১৭:২২
Watch for warning signs in a child\\\\\\\'s behaviour that may indicate serious health problems

শিশু সম্পূর্ণ সুস্থ তো, কোন কোন লক্ষণে বুঝবেন গুরুতর সমস্যা হতে পারে? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

শিশুর সামান্য অসুস্থতা বাবা-মায়ের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দেয়। কিন্তু সব রোগের লক্ষণ এক নয়। অনেক সময়ে কোনও উপসর্গ সাধারণ মনে হলেও তার আড়ালে লুকিয়ে থাকতে পারে বড় কোনও শারীরিক সমস্যা। তাই সময় থাকতেই সতর্ক হতে হবে বাবা-মাকে। কোন লক্ষণ কী ধরনের শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত দিচ্ছে তা জেনে নেওয়া জরুরি।

Advertisement

শিশু কি মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়

মুখ দিয়ে বেশির ভাগ সময়েই শ্বাস নেয় শিশু? ঘুমোতে গেলে শ্বাসকষ্ট হয়? সাধারণ সর্দিকাশি হলে শ্বাসনালিতে মিউকাস জমে হালকা শ্বাসের সমস্যা হতে পারে। কিন্তু শ্বাসকষ্টের এই সমস্যা যদি লাগাতার হতে থাকে, তা হলে সতর্ক হতে হবে। শিশু মুখ দিয়ে কেন শ্বাস নিচ্ছে, শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি হচ্ছে কি না, তা আগে বোঝা জরুরি। বাবা-মায়েরা যদি দেখেন, শিশু বেশির ভাগ সময়েই রাতে হাঁ করে ঘুমোচ্ছে, মুখ দিয়ে শ্বাসপ্রশ্বাস নিচ্ছে, তা হলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

মাঝেমধ্যেই জ্বর

শিশুর শরীরের তাপমাত্রা যদি ১০০.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হয় ও মাঝেমধ্যেই জ্বর আসতে থাকে, তা হলে সাবধান হতে হবে। বিশেষ করে তিন মাসের কমবয়সি শিশুর এমন হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

অতিরিক্ত ঘুম

ছোটরা অনেক ক্ষণ শান্ত হয়ে ঘুমোলে বাবা-মা স্বস্তি পান। তবে যদি মনে হয় শিশু প্রয়োজনের চেয়ে একটু বেশিই ঘুমোচ্ছে, তা হলে চিন্তার কারণ আছে। ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন ছোটদের ঘুমের সময়ের অঙ্ক কষে দিয়েছে। সদ্যোজাত শিশু একটু বেশিই ঘুমোয়। দিনে ১৭-১৮ ঘণ্টা ঘুমোলে বুঝবেন শিশু সম্পূর্ণ সুস্থ আছে। শিশুর বয়স এক বছর পেরিয়ে গেলে তখন ঘুমের সময় ১১ থেকে ১৪ ঘণ্টা হবে। ২ থেকে ৩ বছর অবধি শিশু ১১ ঘণ্টা বা তার বেশি ঘুমোলে চিন্তার কিছু নেই। এর বেশি হলেই তা সমস্যার। তখন চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা জরুরি।

খাওয়ার পরেই বমি

শিশু যদি খাওয়ার পরেই বমি করে তা হলে সতর্ক হতে হবে। অনেক সময়ে তা প্যানক্রিয়াটাইটিস বা আলসারের লক্ষণ হতে পারে। আবার খাবার থেকে বিষক্রিয়া হলেও এমন হতে পারে।

শিশু অবসাদের শিকার নয় তো

৬ থেকে ১১ বছর বয়সি শিশুরাও উদ্বেগের শিকার হতে পারে। বাবা-মায়েরা খেয়াল রাখবেন, কোনও সামাজিক অনুষ্ঠান বা স্কুলে যাওয়ার আগে শিশুর তীব্র মাথাব্যথা হচ্ছে কি না। সন্তান যদি জানায়, সে ঘুমোতে পারছে না, তা হলে অবিলম্বে সাবধান হওয়া উচিত। সন্তান যদি ঘন ঘন স্কুল বা কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানে যেতে অনীহা প্রকাশ করে, তা হলে বুঝতে হবে সে কোনও রকম উদ্বেগে ভুগছে।

Advertisement
আরও পড়ুন