ছবি: সংগৃহীত।
চিজ় খেতে ‘মস্ত’! কিন্তু গুণেও কি ‘মস্ত’? হতেই পারে। যদি বুঝে-শুনে-দেখেবেছে নেওয়া যায়।
সুস্বাস্থ্যের জন্য যদি চিজ় বাছতে তবে কিছুটা সচেতন হওয়া জরুরি। এমনিতে চিজ়ে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি১২ ভরপুর থাকলেও সব ধরনের চিজ় স্বাস্থ্যের জন্য সমান উপকারী নয়।
স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী কোন চিজ়
পনির বা ছানা: পনির বা ছানাও আসলে এক ধরনের চিজ়। কটেজ চিজ় বলা হয় একে। এতে প্রোটিনের পরিমাণ অনেক বেশি এবং ক্যালরি ও ফ্যাট তুলনামূলক কম। যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান বা পেশি গঠন করতে চান, তাদের জন্য এটি সেরা।
মোজ়ারেলা চিজ়: এতে সোডিয়াম ও ক্যালরি কম থাকে। এছাড়া এতে থাকা প্রোবায়োটিকস অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
গোট চিজ়: গরুর দুধের চিজ়ের তুলনায় এতে ল্যাকটোজ কম থাকে, যা হজম করা সহজ। এতে থাকা ‘এ-টু’ ক্যাসিন অ্যালার্জি হওয়ার ঝুঁকি কমায়।
ফেটা চিজ়: ভেড়া বা ছাগলের দুধ থেকে তৈরি এই চিজ়ে লিনোলিক অ্যাসিড থাকে, যা শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
পারমেজান চিজ়: এটি একটি শক্ত চিজ় যাতে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস থাকে, যা হাড়ের মজবুতির জন্য অত্যন্ত কার্যকর।
যা এড়িয়ে চলবেন
স্বাস্থ্যের ক্ষতি এড়াতে প্রসেসড চিজ় এড়িয়ে চলাই ভালো। বাজারে স্লাইস বা স্প্রেড আকারে যে চিজ় পাওয়া যায়, তাতে প্রচুর পরিমাণে প্রিজারভেটিভ, অতিরিক্ত নুন এবং কৃত্রিম রং থাকে। উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের ঝুঁকি থাকলে অতিরিক্ত লবণাক্ত চিজ় এড়িয়ে চলা উচিত।
সতর্কতা
চিজ় পুষ্টিকর হলেও তা পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রাকৃতিক ও কম চর্বিযুক্ত চিজ় যুক্ত করলে তা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং শরীরের হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে। কেনার সময় প্যাকেটের গায়ে উপাদানের তালিকা দেখে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।