—প্রতীকী ছবি।
২২ জানুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার গণেশপুজো। প্রায় প্রত্যেক বছরই সরস্বতী পুজোর আগে মাঘ মাসের গণেশ পুজো করা হয়। এই তিথিকে বিনায়ক চতুর্থীও বলা হয়। মনে করা হয়, এই দিন দুর্গাপুত্র গণেশের জন্ম হয়েছিল। বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতে মাঘ মাসের গণেশপুজোর বিশেষ প্রচলন রয়েছে। জ্যোতিষমতে এই দিন গণেশ পুজো করার সঙ্গে বিশেষ কয়েকটা নিয়ম মানতে হয়। এরই সঙ্গে কয়েকটা উপায় মেনে চললে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।
উপায়:
১) বাড়িতে পুজো না হলেও, বিনায়ক চতুর্থীর দিন যেখানে গণেশপুজো হচ্ছে, সেখানে শিক্ষার্থিদের অঞ্জলি দেওয়া অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এর ফলে শিক্ষায় উন্নতি হয় এবং বুদ্ধি বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া যাঁরা কর্মের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরাও এই পুজো করলে কর্মক্ষেত্রে উন্নতি করতে পারেন।
২) এই দিন ২১টা অখণ্ড চাল গঙ্গাজলে দুয়ে নিন। তার পর সেগুলি গণেশকে অর্পণ করুন। চালগুলি যেন নিখুঁত হয় সেই বিষয়ে নজর রাখতে হবে। এর ফলে জীবনের সমস্ত বাধা দূর হয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে, অধোয়া চাল গণেশকে দেওয়া যাবে না।
৩) গণেশের পুজোর সময় তাঁকা পানপাতা, নারকেল এবং কড়ি অবশ্যই নিবেদন করুন।
৪) কর্মে উন্নতি আনতে গণেশের চরণে হলুদ, চন্দন এবং দুর্ব্বা ঘাস একসঙ্গে বেটে অর্পণ করুন।
৫) আর্থিক উন্নতি আনতে একটা নারকেল এবং বেসনের লাড্ডু অর্পণ করুন।
৬) এই দিন বাড়ির পুজোর স্থান পরিষ্কার রাখুন এবং নিরামিষ আহার গ্রহণ করুন।
৭) বিনায়ক চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশ যন্ত্রম স্থাপন করা খুবই শুভ বলে মানা হয়।
গণেশপুজোর ক্ষেত্রে কোন ভুলগুলি করবেন না?
১) গণেশ ঠাকুরকে কোনও ভাবেই তুলসীপাতা অর্পণ করবেন না।
২) কেতকী ফুল দিয়ে গণেশে ঠাকুরের পুজো করতে নেই।
৩) শুকনো ফুল কোনও ভাবেই গণেশের পুজোয় ব্যবহার করতে নেই। এটা অত্যন্ত অশুভ, এর ফলে সংসারে দারিদ্র আসে।
৪) গণেশ ঠাকুরের পুজোয় কখনও সাদা জিনিস ব্যবহার করতে নেই।