Bird Nest Astrology

বারান্দায় বাসা বেঁধেছে ঘুঘু! এই পাখি আগমনের লক্ষণ শুভ না অশুভ? কী বলছেন জ্যোতিষীরা?

কখনও পাখিদের বিষ্ঠার কারণে দেওয়াল বা বাড়ির মেঝে নোংরা হয়ে যায়, কখনও আবার পাখিরা তাদের বাসা তৈরির জন্য মুখে করে খড়কুটো নিয়ে আসলে তা দিয়ে ঘরবাড়ি নোংরা হয়ে যায়।

Advertisement
বাক্‌সিদ্ধা গার্গী
শেষ আপডেট: ০৬ মে ২০২৬ ১১:৪৬

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

চড়ুই, পায়রা, শালিক, ঘুঘুর মতো পাখিরা আশ্রয়ের জন্য অধিকাংশ সময় বাড়ির ছাদে বা বারান্দায় বাসা বাঁধে। কমবেশি সকলের বাড়িতেই পাখির বাসা রয়েছে। পাখিরা তাদের মাথার উপর ছাদ পেলেও এর ফলে খানিকটা অসুবিধা হয়ে যায় বাড়ির লোকজনের। কখনও পাখিদের বিষ্ঠার কারণে দেওয়াল বা বাড়ির মেঝে নোংরা হয়ে যায়, কখনও আবার পাখিরা তাদের বাসা তৈরির জন্য মুখে করে খড়কুটো নিয়ে আসলে তা দিয়ে ঘরবাড়ি নোংরা হয়ে যায়।

Advertisement

তবে অনেকে মনে করেন, অন্য যে কোনও পাখি ঘরে বাসা বাঁধলেও ঘুঘু যেন বাসা না বাঁধে। বাড়িতে ঘুঘু বাসা বাঁধলেই তা সংসারে সর্বনাশ ডেকে আনে। শাস্ত্রমতে, কয়েকটি পাখির বাসা বাড়িতে থাকা যেমন শুভ, তেমনই কিছু পাখির বাসা আমাদের বাস্তুর জন্য অশুভ। কিন্তু সেই তালিকায় ঘুঘুর বাসা পড়ে না। বরং, ঘুঘু বাড়িতে বাসা বাঁধলে তার ফল বিপরীত হয়। সংসার সুখ-শান্তি এবং সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে।

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, বাড়িতে ঘুঘু বাসা বানালে খারাপ কিছুই হয় না। বরং তার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে পরিবারের সদস্যদের জীবনে। বাড়িতে ঘুঘু আসার অর্থ হল, আপনার দুর্ভাগ্য এ বার সৌভাগ্যে বদলে যেতে চলেছে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, যে বাড়িতে ঘুঘু বাসা বানিয়ে থাকে, সে বাড়িতে কখনও শান্তির অভাব ঘটে না।

বাড়ির মানুষদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদও হয় না। মঙ্গলের জন্য ঘুঘুকে নিয়মিত শস্যদানা এবং পানীয় জল দান করতে পারেন। অপরিচ্ছন্নতার কারণে হঠাৎ করে পাখির বাসা ভেঙে ফেলবেন না। বাসা তৈরি হয়ে গেলে তখন তার স্থান পরিবর্তন করে দিতে পারেন। পাখি উ়ড়ে যাওয়ার পর সেই বাসা ফেলে দিন।

Advertisement
আরও পড়ুন