Shital Sasthi Vrat Rituals

সন্তানের উন্নতি তো বটেই, শীতলষষ্ঠী পালনে আর কী উপকার পাওয়া যায়? এই ষষ্ঠী পালনের নিয়মগুলি কী?

মাঘ মাসের ষষ্ঠীব্রত সরস্বতী পুজোর পরের দিন পালন করা হয়। এই ষষ্ঠী শীতলষষ্ঠী নামে পরিচিত। এ ছাড়াও এই ষষ্ঠীকে শীলষষ্ঠী বা গোটাষষ্ঠীও বলা হয়।

Advertisement
বাক্‌সিদ্ধা গার্গী
শেষ আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৫৮
shital sasthi

—প্রতীকী ছবি।

ষষ্ঠীব্রত পালনের মূল উদ্দেশ্য হল সন্তানের মঙ্গল কামনা করা। ভিন্ন মাসের ষষ্ঠীর ব্রত বিভিন্ন নামে পরিচিত। তবে প্রতি মাসেরই ষষ্ঠীব্রত পালনের উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন, সন্তানের কল্যাণ হওয়া। মাঘ মাসের ষষ্ঠীব্রত সরস্বতী পুজোর পরের দিন পালন করা হয়। এই ষষ্ঠী শীতলষষ্ঠী নামে পরিচিত। এ ছাড়াও এই ষষ্ঠীকে শীলষষ্ঠী বা গোটাষষ্ঠীও বলা হয়। এই ষষ্ঠীতে আগের দিন রান্না করে রাখা খাবার বা গোটা সেদ্ধ খাওয়া হয় বলে একে শীতলষষ্ঠী বা গোটাষষ্ঠী বলে। অন্য দিকে, অনেক জায়গায় এই দিন শীলপুজোর চল রয়েছে। তাই এই ষষ্ঠীর আর এক নাম শীলষষ্ঠী। শীতলষষ্ঠী পালনে সন্তানের শরীর-স্বাস্থ্য ভাল থাকে বলে মনে করা হয়। এরই সঙ্গে সন্তানের সফলতা প্রাপ্তির পথও প্রশস্ত হয়। মাঘ মাসের শীতলষষ্ঠী পালনের নিয়মগুলি জেনে নিন।

Advertisement

নিয়ম:

  • শীতলষষ্ঠী পালন করা বাধ্যতামূলক কিছু নয়। মন চাইলে করতে পারেন, না চাইলে না-ও করতে পারেন। তবে যদি করার হয় তা হলে সরস্বতী পুজোর পরের দিন এই ষষ্ঠী পালন করতে হবে। চলতি বছর ২৪ জানুয়ারি, শনিবার পড়ছে শীতলষষ্ঠী।
  • শীতলষষ্ঠীর দিন গরম কোনও খাবার মুখে তোলা যাবে না। এই দিন শীতল বা আগের দিন রান্না করে রাখা ঠান্ডা খাবার খেতে হবে। তবে মাছ-মাংস, পেঁয়াজ-রসুন প্রভৃতি খাওয়া চলবে না।
  • সরস্বতী পুজোর দিন, অর্থাৎ শীতলষষ্ঠীর আগের দিন গোটা কলাই ডালের সঙ্গে গোটা সব্জি বা সেগুলি ছোট টুকরোয় কেটে সিদ্ধ করে রাখতে হবে। ভাত খেতে চাইলে সেটাও সেই দিন করে জল ঢেলে রাখুন। ষষ্ঠীপুজোর দিন সেই খাবার আগে ষষ্ঠীদেবীকে নিবেদন করুন। তার পর নিজে গ্রহণ করুন। বাড়ির অন্যান্য সদস্যও এই খাবার খেতে পারেন।
  • যে হেতু ষষ্ঠীদেবীকে ভোগ নিবেদন করা হয়, তাই ঠাকুরের বাসনে বা নিরামিষ রান্না হয় এমন বাসনে আগের দিন রান্না করতে হবে। সেই খাবারে কোনও আমিষের ছোঁয়া লাগানো যাবে না। এরই সঙ্গে শীতলষষ্ঠীর দিন বাড়িতে উনুন বা অভেন জ্বালানো যাবে না।
  • ষষ্ঠীপুজো শেষে সন্তানের মঙ্গলকামনায় মোটা ধরনের সাধারণ সুতো নিয়ে সেটিকে দই ও হলুদে চুবিয়ে নিয়ে সন্তানের হাতে বেঁধে দিন। তবে সন্তানের মঙ্গল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতলষষ্ঠী পালনের ফলে পরিবারে শান্তি বজায় থাকে। বাড়ির সদস্যদের শরীর-স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে ও জীবনে সমৃদ্ধি লাভ করা যায়।
Advertisement
আরও পড়ুন