—প্রতীকী ছবি।
হিন্দু ধর্মে তুলসীগাছের মাহাত্ম্য বিশেষ। শাস্ত্রে তাই যে কোনও হিন্দু বাড়িতে তুলসীগাছ রাখার নিদান দেওয়া হয়। এর ফলে পরিবারের মঙ্গল হয়। গৃহে শুভ শক্তির সঞ্চার ঘটে। বিশ্বাস করা হয় যে, তুলসীগাছের সঙ্গে শ্রীবিষ্ণু এবং লক্ষ্মীদেবীর সম্পর্ক রয়েছে। সেই কারণে প্রতি সন্ধ্যায় তুলসীগাছের গোড়ায় প্রদীপ জ্বালালে খুব ভাল ফল লাভ করা যায়। যাঁদের বাড়িতে তুলসীগাছ রয়েছে, তাঁরা প্রায় প্রত্যেকেই সেই গাছে প্রতি দিন জল দেন। তবে জল ছাড়া আরও বেশ কিছু জিনিস যদি তুলসীগাছে অর্পণ করা যায়, তা হলে খুব ভাল হয়। কী অর্পণ করতে হবে, দেখে নিন।
ঘরে সুখ-শান্তি আনতে: প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার বা শুক্রবার জলে অল্প কাঁচা দুধ মিশিয়ে তুলসীগাছে অর্পণ করুন। এর ফলে তুষ্ট হন শ্রীবিষ্ণু ও দেবী লক্ষ্মী। দু’হাত ভরে আশীর্বাদ করেন। সংসারে সুখ-শান্তি বজায় থাকে। বাড়িতে শুভ শক্তির সঞ্চার হয়।
অশুভ শক্তি কাটাতে: জীবনে অশুভ শক্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে কোনও কাজই ঠিকমতো করে ওঠা যায় না। অস্থিরতা গ্রাস করে। জীবন থেকে সমস্ত প্রকার নেগেটিভ শক্তি কাটিয়ে পজ়িটিভ শক্তির সঞ্চার ঘটাতে প্রতি মাসের পঞ্চম দিন তুলসীগাছে আখের রস অর্পণ করুন। এর ফলে ভাগ্যোন্নতি হয় বলে বিশ্বাস। তবে পাঁচ নম্বর দিনটি যদি রবিবার হয় তবে সেই দিন তুলসীগাছে কিছু অর্পণ করা যাবে না। তার আগের বা পরের দিন অর্পণ করা যেতে পারে।
সমৃদ্ধি আনতে: প্রতি দিন জলে সামান্য মিছরি মিশিয়ে তুলসীগাছে অর্পণ করলে লক্ষ্মীদেবী প্রসন্ন হন। এর ফলে জীবনে সমৃদ্ধি আসে। সফলতা প্রাপ্তিতে বাধার সম্মুখীন হতে হয় না।
দারিদ্র কাটাতে: অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় প্রচুর পরিশ্রম করলেও মনোমতো অর্থ উপার্জন করা যায় না। অর্থাগমের পথে নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়। এমন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গেলে জলের মধ্যে এক চিমটে হলুদ বা কেশর মিশিয়ে তুলসীগাছে নিয়মিত অর্পণ করুন। অর্থাভাব কেটে যাবে। আয়ের নতুন পথ খুঁজে পাবেন।