ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
মহাদেবকে তুষ্ট করা কোনও জটিল বিষয় নয়। নিষ্ঠাভরে আরাধনা করলেই দেবাদিদেবকে তুষ্ট করা যায়। তিনি অল্পেই তুষ্ট হন। এ বিষয় আমাদের অনেকের কাছেই অজানা নয়। প্রচলিত বিশ্বাসমতে, সোমবার শিবের বার। এই দিন পঞ্চামৃত সহযোগে শিবের আরাধনা করলে বিশেষ ফলপ্রাপ্তি হয় বলে বিশ্বাস। তবে বাড়িতে শিবলিঙ্গ রাখলে কেবল সোমবার নয়, প্রতি দিনই নিয়ম মেনে পুজো করা উচিত। সে ক্ষেত্রে অনেকেই ভাবেন কোন সময়টি শিবের পুজো করার জন্য উপযুক্ত।
শাস্ত্রমতে, প্রদোষকাল শিবের উপাসনা করার জন্য শ্রেষ্ঠ। প্রতি দিনই প্রদোষকাল হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্দিষ্ট সময়কালকে প্রদোষকাল বলা হয়। তেমনটাই জানাচ্ছে শাস্ত্র। এই সময় শিবের উপাসনা করলে বিশেষ ফলপ্রাপ্তি ঘটে। দিনের কোন সময়টিকে প্রদোষকাল বলে এবং সেই সময় কী ভাবে মহাদেবের উপাসনা করতে হবে, জেনে নিন।
দিনের কোন সময় প্রদোষকাল হিসাবে পরিচিত?
প্রতি দিন দু’বার প্রদোষকাল নির্ধারিত করা হয়। সকালে সূর্যোদয়ের পরবর্তী দেড় ঘণ্টা সময় এবং সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের পরবর্তী দেড় ঘণ্টা সময় প্রদোষকাল নামে পরিচিত। এই দুই সময় শিবের অত্যন্ত প্রিয়। তাই এই দুই সময় মহাদেবের আরাধনা করা যেতে পারে। যে কোনও একটা সময় বেছে নিলেও হবে। যদিও প্রতি দিন সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত একই সময় হয় না। তাই প্রদোষকালের সময়ও প্রতি দিন বদলে যায়। সে ক্ষেত্রে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত কখন হচ্ছে সেটা খেয়াল রাখা জরুরি। সেই অনুযায়ী প্রদোষকালের সময় নিজেদের নির্ধারণ করে নিতে হবে।
পুজোর নিয়ম: শিবের পুজোর বিশেষ কোনও নিয়ম হয় না। মন যেমন ভাবে চাইবে, তেমন ভাবে আরাধনা করলেই খুশি হন ভোলেবাবা। তবে বেলপাতা অবশ্যই দিতে হবে। পঞ্চামৃত সম্ভব না হলে শুধু গঙ্গাজল বা চন্দন-সহ গঙ্গাজল নিবেদনেও খুশি হন মহাদেব। এরই সঙ্গে আকন্দ, নীলকণ্ঠ, ধুতরা প্রভৃতি ফুল দেওয়া যেতে পারে। সকাল বা সন্ধ্যা, যে সময়ই পুজো করুন না কেন, পুজোর পর ধূপ এবং প্রদীপ জ্বালানো জরুরি।