Uttar Pradesh Incident

কয়েক ঘণ্টার বৈবাহিক জীবন, নববধূ বেঁকে বসায় বিচ্ছেদ! বিয়ের পরের দিনই শ্বশুরবাড়ি ছাড়লেন যুবতী

স্থানীয় থানার ইনচার্জ রাকেশ সিংহ জানান, দীর্ঘ আলোচনার পরেও মিথিলেশ তাঁর বৈবাহিক জীবনে থাকতে রাজি ছিলেন না। তখন দুই পরিবারের সম্মতিতে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৩২
A couple\\\'s marriage lasted only a few hours in Uttar Pradesh

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

বিয়ের বয়স মাত্র কয়েক ঘণ্টা। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পরেই বেঁকে বসেন কনে। ফুলসজ্জার রাতে নববধূ স্বামীকে জানান, তিনি এই বৈবাহিক জীবনে থাকতে পারবেন না। অন্য একজনকে ভালবাসেন তিনি। তবে তার পরেও তাঁর অমতেই জোর করে তাঁকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্তে পৌঁছোন সকলে! বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিচ্ছেদ হয়ে যায় উত্তরপ্রদেশের হামিরপুরের নবদম্পতির।

Advertisement

হামিরপুরে মিথিলেশ কুমারীর সঙ্গে বিয়ে হয় ধরম সিংহ কুশওয়ারের। ধুমধাম করে বিয়ের পর ধরমের সঙ্গে মিথিলেশ শ্বশুরবাড়ি যান। প্রথম রাতেই নববধূ তাঁর স্বামীকে জানান, তিনি সংসার করতে পারবেন না! স্ত্রীর মুখে প্রথমে এমন কথা শুনে হতবাক হয়ে যান ধরম।

কী কারণে বিচ্ছেদ চান মিথিলেশ? স্বামীকে তিনি জানান, তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি অন্য একজনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ। পরিবারকে জানানোর পরেও তা শোনেনি। জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি বিয়ের আগে তাঁকে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ মিথিলেশের। ধরম হতাশার সুরে জানান, মিথিলেশ যদি তাঁর এই উদ্বেগের কথা আগে থেকে জানাতেন, তা হলে এমন অবস্থা হত না। এর ফলে দুই পরিবারকে অপমানিত হতে হল।

পরবর্তী পদক্ষেপ কী করা যায়, তার সমাধান খুঁজতে উভয় পরিবারই হামিরপুরের রথ থানায় যোগাযোগ করে। থানার আধিকারিকেরা প্রথমে নব দম্পতিকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু মিথিলেশ তাঁর নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। তিনি স্পষ্ট জানান, স্বামীর সঙ্গে সংসার করবেন না! রথ থানার ইনচার্জ রাকেশ সিংহ জানান, দীর্ঘ আলোচনার পরেও মিথিলেশ তাঁর বৈবাহিক জীবনে থাকতে রাজি ছিলেন না। তখন দুই পরিবারের সম্মতিতে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। থানা থেকে কনে আর শ্বশুরবাড়ি যাননি। সোজা পরিবারের সঙ্গে বাপের বাড়ি চলে যান।

Advertisement
আরও পড়ুন