চিকিৎসক টি প্রিন্সি ওরফে শ্রেষ্ঠা। ছবি: সংগৃহীত।
কুকুর এবং বিড়াল পোষার শখ অনেকেরই থাকে। কিন্তু অনেক সময় এই পোষ্যদের নিয়ে পরিবারের সদস্যদের আপত্তির মুখেও পড়তে হয়। তেমনই একটি ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। বিড়াল দত্তক নিতে না দেওয়ায় ক্ষোভে, অভিমানে আত্মঘাতী হলেন তেলঙ্গানার হায়দরাবাদের এক তরুণী চিকিৎসক।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই চিকিৎসকের নাম টি প্রিন্সি ওরফে শ্রেষ্ঠা। শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়িতে একাই ছিলেন ওই চিকিৎসক। পরিবারের সদস্যেরা তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন। জানা গিয়েছে, হায়দরাবাদের অলওয়ালে মা কুসুমলতা এবং ঠাকুরমার সঙ্গে থাকতেন চিকিৎসক। কয়েক সপ্তাহ আগে তিনি একটি বিড়াল বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরিবারের দাবি, বিড়ালটিকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর থেকেই সর্দি-কাশিতে ভুগতে শুরু করেন শ্রেষ্ঠা। বার বার সর্দি-কাশিতে ভুগতে থাকায়, পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়, বিড়ালের জন্যই শ্রেষ্ঠা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। আর এই ধারণা থেকেই বিড়ালটিকে বাড়িতে রাখায় তীব্র আপত্তি জানান পরিবারের সদস্যেরা।
পুলিশ জানতে পেরেছে, বিড়ালটিকে বাড়িতে রাখা নিয়েই শ্রেষ্ঠার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের মনোমালিন্যের সূত্রপাত। ফলে প্রায়শই অশান্তি হচ্ছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় চিকিৎসকের মা এবং ঠাকুরমা বাড়ি থেকে বেরিয়ে একটি কাজে গিয়েছিলেন। বাড়িতে ফিরে তাঁরা শ্রেষ্ঠার কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে ডাকাডাকি করেন। তার পর তাঁর ঘরে ঢুকতেই আঁতকে ওঠেন তাঁরা। শ্রেষ্ঠাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।