Car Explosion in Karnataka

চলন্ত গাড়িতে সঙ্গিনীকে ছুরিকাঘাত, যুবতী ও চালক পালাতেই বোমা বিস্ফোরণ ঘটান যুবক, মৃত্যু ঘটনাস্থলে

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে কোনও দুর্ঘটনা বা নাশকতার ছক নেই। এক যুগলের মধ্যে অশান্তি, শেষে গাড়ির মধ্যে ওই যুবকের সঙ্গে থাকা বোমা ফেটে ঘটনাটি ঘটে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ জুন ২০২৬ ২২:১৬
A man stabs woman in car, after he dies in explosion in Karnataka

কর্নাটকে গাড়ি বিস্ফোরণে মৃত্যু যুবকের। ছবি: সংগৃহীত।

গাড়ি বিস্ফোরণে কর্নাটকে মৃত্যু হল ৩০ বছরের এক যুবকের। কী ভাবে বিস্ফোরণ ঘটল, সেই তদন্তে নেমে পুলিশের সামনে আসে মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া মতো তথ্য। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে কোনও দুর্ঘটনা বা নাশকতার ছক নেই। এক যুগলের মধ্যে অশান্তি, শেষে গাড়ির মধ্যে ওই যুবকের সঙ্গে থাকা বোমা ফেটে ঘটনাটি ঘটে।

Advertisement

কর্নাটকের তুমাকুরু জেলায় গাড়ি বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় নাগেন্দ্র নামে এক যুবকের। ওই গাড়ির চালকের বয়ান অনুযায়ী, বেঙ্গালুরু থেকে গাড়িটি ভাড়া করেছিলেন নাগেন্দ্র। সঙ্গে ছিলেন এক যুবতী। পরে পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে, ওই যুবতীর নাম রম্যা উল্লাস। বছর তেইশের ওই যুবতী উত্তর কন্নড় জেলার বাসিন্দা। বেঙ্গালুরুর সঞ্জয় গান্ধী হাসপাতালে কাজ করতেন।

পুলিশকে প্রবীণ নামে ওই চালক জানিয়েছেন, বেঙ্গালুরু থেকে ওই যুগল গাড়িতে উঠে আঙ্কোলার দিকে যেতে বলেন তাঁকে। তবে তুমাকুরু পৌঁছোনোর পর কোনও কারণে দু’জনের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। অভিযোগ, বচসার মাঝেই একসময় নাগেন্দ্র আচমকাই একটি ছুরি বার করে রম্যাকে তা দিয়ে আঘাত করেন। চালক কিছু বলতে গেলে তাঁকে ভয় দেখানো হয়। নাগেন্দ্রের কাছে বোমা আছে বলে জানানো হয় তাঁকে। আঘাতের পরেও কোনওক্রমে গাড়ি থেকে নেমে পালাতে সক্ষম হন রম্যা। সঙ্গে সঙ্গে রাস্তার একপাশে গাড়ি থামিয়ে নেমে পড়েন প্রবীণও।

পুলিশের সন্দেহ, নাগেন্দ্র গাড়ি থেকে নামেননি। ভিতর থেকে গাড়ির দরজা লক্‌ করে দেন তিনি। তার পরে সঙ্গে করে আনা তাজা বোমা বিস্ফোরণ ঘটান। আর তাতেই এই ঘটনা। তবে বিস্ফোরণের আসল কারণ জানতে ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছেন তদন্তকারীরা। বর্তমানে রম্যা আহত অবস্থায় তুমাকুরু জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহত হয়েছে প্রবীণও। পুলিশ রম্যার বয়ান রেকর্ড করার চেষ্টাও করছে।

Advertisement
আরও পড়ুন