CCTV Hacked

হাসপাতালের সিসি ক্যামেরা ‘হ্যাক’! স্ত্রী রোগ বিভাগে রোগীদের ফুটেজ চুরি করে পর্নোগ্রাফি চক্রে বিক্রির অভিযোগ

দেশের বিভিন্ন শহর মিলিয়ে প্রায় ৮০টি সিসিটিভির ‘ড্যাশবোর্ড’ হ্যাক করার অভিযোগ রয়েছে ওই চক্রের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে দিল্লি, পুণে, মুম্বই, নাসিক, সুরাত এবং অহমদাবাদের কিছু অঞ্চলও রয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০২৫ ০৯:৩৭
সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চুরি করে কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ।

সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চুরি করে কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ। — প্রতীকী চিত্র।

হাসপাতালে সিসি ক্যামেরা বসানোর সময়ে যে পাসওয়ার্ড ছিল, সেই একই পাসওয়ার্ড রয়ে গিয়েছিল। কেউ পরিবর্তন করেননি। তাতেই সর্বনাশ! বেহাত হয়ে গেল হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিভাগের বিভিন্ন ফুটেজ। অভিযোগ, হাসপাতালের সিসিটিভির ‘হ্যাক’ করে ফুটেজ চুরি করে আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি চক্রের কাছে বিক্রি করে দেন একদল হ্যাকার। এমনটাই ঘটেছে গুজরাতের রাজকোটের এক হাসপাতালে।

Advertisement

ঘটনায় অভিযুক্তেরা আগেই ধরা পড়েছিল। এ বার তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত চক্রের বিষয়ে জানতে পারলেন তদন্তকারীরা। গ্রেফতারির প্রায় ১০ মাস পরে তদন্তকারীদের দাবি, ওই হ্যাকারেরা গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালের সিসিক্যামেরার উপর নজর রেখেছিলেন। হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিভাগে চিকিৎসাধীন মহিলাদের ফুটেজ সংগ্রহ করে তা কালোবাজারে বিক্রি করতেন অভিযুক্তেরা।

সংবাদমাধ্যম ‘টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়া’র এক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ওই হ্যাকারদের দল ধরা পড়ে। তার পর থেকেই ওই চক্রের বিষয়ে তদন্তে আরও গতি আসে। শুধু গুজরাতের ওই হাসপাতালের ফুটেজই নয়, দেশের বিভিন্ন শহর মিলিয়ে প্রায় ৮০টি সিসিটিভির ‘ড্যাশবোর্ড’ হ্যাক করার অভিযোগ রয়েছে ওই চক্রের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে দিল্লি, পুণে, মুম্বই, নাসিক, সুরাত এবং অহমদাবাদের কিছু অঞ্চলও রয়েছে। হাসপাতালের পাশাপাশি স্কুল, বিভিন্ন অফিস, সিনেমা হল, কারখানা, এমনকি বেশ কিছু বাড়ির ভিতরের সিসিক্যামেরা ফুটেজও ওই চক্র বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ।

তদন্তকারী আধিকারিক সূত্রে ওই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চুরি করা ওই ফুটেজগুলি ‘টেলিগ্রাম’ অ্যাপের কিছু গ্রুপে বিক্রি করা হত। কোনও ফুটেজ ৭০০ টাকায়, আবার কোনওটি ৪০০০ টাকায় বিক্রি হত বলে অভিযোগ। এমনকি অভিযুক্তেরা গ্রেফতার হওয়ার পরেও ওই ফুটেজগুলি ‘টেলিগ্রাম’ গ্রুপে ঘোরাঘুরি করত। অন্তত গত জুন মাস পর্যন্ত ওই ভিডিয়োগুলি টেলিগ্রামে বিক্রি হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

Advertisement
আরও পড়ুন