এই ধরনের খবরের ক্ষেত্রে আসল ছবি প্রকাশে আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকে। —প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
দিল্লির ফুটপাথ থেকে নাবালিকাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ এবং হত্যার অভিযোগ উঠল। ১১ বছর বয়সি ওই বালিকাকে দিল্লির মেহরৌলি এলাকা থেকে অপহরণ করে গুরুগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক জঙ্গলের মধ্যে তাকে ধর্ষণ ও খুন করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় ইতিমধ্যে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রবিবার বেশি রাতের দিকে ওই নাবালিকাকে অপহরণ করা হয়। সোমবার ভোর ৫টা নাগাদ পুলিশের কাছে অপহরণের খবর যায়। দক্ষিণ দিল্লির ওই ঘটনার খবর পেয়েই একটি তদন্তকারী দল গঠন করে পুলিশ। নাবালিকা এবং অভিযুক্তের খোঁজ শুরু হয়। মেহরৌলির যে এলাকা থেকে বালিকাকে অপহরণ করা হয় বলে অভিযোগ, তার আশপাশের এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। ওই ফুটেজ বিশ্লেষণ করার সময়েই এক সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করেন তদন্তকারীরা। সেই সূত্র ধরেই শনাক্তকরণের চার ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে পাকড়াও করা হয়।
প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, ২৫ বছর বয়সি ওই অভিযুক্ত পেশায় ট্যাক্সিচালক। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তি পুলিশি জেরায় ইতিমধ্যে অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। জেরায় অভিযুক্ত জানিয়েছেন, তিনি দিল্লির ফুটপাথ থেকে ওই কিশোরীকে অপহরণ করে গুরুগ্রামে নিয়ে যান। তার পরে সেখানে নাবালিকাকে ধর্ষণ এবং হত্যা করার কথাও পুলিশি জেরায় স্বীকার করেছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃত বালিকার পরিবার বিহারের বাসিন্দা। দিল্লিতে দিনমজুরের কাজ করে ওই পরিবার। প্রথমে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকত তারা। পরে ফুটপাথে থাকতে শুরু করে। ফুটপাথেই বেলুন বিক্রি করত ওই নাবালিকা। তাকে খুনের পর দেহ কোথায় ফেলে রেখেছিলেন অভিযুক্ত, সেই তথ্যও জেরা করে জানতে পারে পুলিশ। সেই মতো সোমবারই নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করারও আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।