Subho Noboborsho Lucknow

প্রবাসে ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’, প্রবাসী বঙ্গীয় সাংস্কৃতিক সমিতির আয়োজনে নববর্ষ ও রবীন্দ্র জয়ন্তী উদ্‌যাপন

বিশেষ অতিথিদের আসন অলংকৃত করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক, বিজেপি নেতা নীরজ সিংহ,‌ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের নেতা প্রশান্ত ভাটিয়া, কৌশল প্রমুখ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৯ মে ২০২৬ ০২:৩৪
তীর্থ ভট্টাচার্য।

তীর্থ ভট্টাচার্য। নিজস্ব চিত্র।

লখনউয়ে বাংলার সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিচ্ছে প্রবাসী বঙ্গীয় সাংস্কৃতিক সমিতি। সম্প্রতি বাংলা নববর্ষ ও রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করেছিল এই সমিতি। লোকগীতি ও রবীন্দ্র সঙ্গীতের সঙ্গে ছিল লোক ও ধুনুচি নৃত্যের আয়োজন। কলা মণ্ডপ সভাগৃহে বাঙালিদের এই আয়োজনে পশ্চিমবঙ্গ থেকে উপস্থিত হয়েছিলেন প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী তীর্থ ভট্টাচার্য। রবীন্দ্রসংগীত ও লোকগীতির সুরে উপস্থিত দর্শক ও শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছিলেন শিল্পী। কানপুর থেকে এসেছিলেন নৃত্যশিল্পীরা। সেই সঙ্গে বাঙালিয়ানা আয়োজনে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছিল স্থানীয় শিল্পীদের ধুনুচি নৃত্য।

Advertisement

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিবেকানন্দ ট্রাস্টের মহারাজ। বিশেষ অতিথিদের আসন অলংকৃত করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক, বিজেপি নেতা নীরজ সিংহ,‌ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের নেতা প্রশান্ত ভাটিয়া, কৌশল প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন রণবীর সিংহ, পঙ্কজ পাটওয়া, প্রাক্তন আধিকারিক অমিত ঘোষ ও ডিকে ঠাকুর প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শাশ্বতী ভট্টাচার্য।

এ দিনের আয়োজনে অংশগ্রহণ করেছিলেন বিপুল সংখ্যক বাঙালি। উপস্থিত সকলেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আদর্শকে জীবনে পাথেয় করে এগিয়ে চলার শপথ নেন। অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে সভাগৃহ সৃজনের দায়িত্বে ছিলেন রিঙ্কু দে, মিতা মুখোপাধ্যায় প্রমুখ‌। সঞ্জিত কুমার সিংহ, বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশ মুখোপাধ্যায়, অর্চনা দত্ত, সন্দীপ অধিকারী, শিবানী সিংহ, শুভাঞ্জলি সিংহ প্রমুখের আয়োজনে এই আনন্দযজ্ঞ সার্বিকভাবে সফল হয়েছিল।

শুধু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানই নয়, প্রবাসের সমাজেও বিশেষ অবদান রেখেছে সংগঠন। নারী ক্ষমতায়ন, পরিবেশ সুরক্ষার জন্য যেমন সচেষ্ট সংগঠনের সদস্যেরা তেমনই দুঃস্থ শিশুদের শিক্ষা, খাদ্য, পানীয় জলের ব্যবস্থার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পরিবারের কন্যাদের বিয়ের আয়োজনও করে বাঙালিদের এই সংগঠন। শুধু মানুষের জন্য নয়, পশু ও পাখিদের জন্য খাবার ও জলের ব্যবস্থাও নিয়মিত করেন সচেতন বাঙালিরা।

Advertisement
আরও পড়ুন