—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যসূচিতে বড় মাপের পরিবর্তন করল সিবিএসই।
নয়া পাঠ্যসূচিতে দু’টি ভারতীয় ভাষায় পড়াশোনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অন্য দিকে ইংরেজি এখন ‘বিদেশি ভাষা’ হিসেবে গণ্য হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগের পাঠ্যসূচির প্রেক্ষিতে বড় পরিবর্তনের পথে হেঁটেছে সিবিএসই। কারণ, আগে ইংরেজি ও একটি আঞ্চলিক ভাষায় পড়াশোনার উপরে জোর দেওয়া হত।বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, এর ফলে পরীক্ষার ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন হবে। কারণ, দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ক্ষেত্রে দুই ভারতীয় ভাষায় লেখা থেকে ব্যাকরণ পর্যন্ত নানা বিষয়ে পড়ুয়াদের জ্ঞান পরীক্ষা করা হবে। ইংরেজি ‘বিদেশি ভাষা’ হওয়ায় সেখানে পড়ুয়াদের মূল্যায়নের পদ্ধতি বদলাতে পাকে। সাহিত্যভিত্তিক মূল্যায়নের বদলে ব্যাকরণের উপরে জোর দেওয়া হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পড়ুয়াদের এখন একটি ভাষার বদলে বিভিন্ন ভাষায় পরীক্ষার প্রস্তুতির উপরে জোর দিতে হবে। প্রাথমিক ভাবে এতে প্রস্তুতির চাপ বাড়তে পারে। কিন্তু পরে বিভিন্ন ভাষায় তারা দক্ষ হয়ে উঠবে। যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। নয়া পাঠ্যসূচিতে সিবিএসই মুখস্থবিদ্যার চেয়ে পড়ুয়াদের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট করাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি তাদের নানা ভাষায় দক্ষতাবৃদ্ধিও সিবিএসই-র উদ্দেশ্য। শিক্ষকদের একাংশের মতে, দু’টি ভারতীয় ভাষা ও একটি বিদেশি ভাষায় পড়াশোনা পড়ুয়াদের কাছে সহজ করার জন্য বিশেষ ভূমিকা নিতে হবে স্কুলগুলিকে।
পাঠ্যসূচিতে পরিবর্তনের পাশাপাশি এনসিইআরটি-র নয়া পাঠ্যবই তৈরির ক্ষেত্রেও বিশেষ সতর্কতা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থার অধিকর্তা দীনেশপ্রকাশ সাকলানি। তাঁর মতে, ‘‘সঠিক বিষয়বস্তু নির্বাচনের জন্য নতুন বইগুলি বারবার খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’ বিতর্কিত বিষয়বস্তু বাদ দিতে এনসিইআরটি উদ্যোগী হয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।