10 Minutes Delivery

১০ মিনিটে ডেলিভারির দাবি আর নয়! কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে কর্মীস্বার্থে নিয়ম বদলাল ব্লিঙ্কইট, বাকিরাও কি একই পথে হাঁটবে

১০ মিনিটের মধ্যে জরুরি পণ্য বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আর বিজ্ঞাপন দেবে না ই-কমার্স সংস্থা ব্লিঙ্কইট। মঙ্গলবার সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্র উদ্ধৃত করে এই খবর জানিয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:০৬

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

১০ মিনিটের মধ্যে জরুরি পণ্য বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আর বিজ্ঞাপন দেবে না ই-কমার্স সংস্থা ব্লিঙ্কইট। মঙ্গলবার সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্র উদ্ধৃত করে এই খবর জানিয়েছে।

Advertisement

এএনআই-এর প্রতিবেদন অনুসারে, সম্প্রতি ব্লিঙ্কইট, জ়েপটো, জ়োম্যাটোর মতো ই-কমার্স সংস্থাগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী মনসুখ মান্ডবীয়। ওই বৈঠকেই তিনি ১০ মিনিটে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার যে দাবি করে থাকে এই সংস্থাগুলি, তা নিয়ে আপত্তি জানান। এই দাবি সংবলিত বিজ্ঞাপন বন্ধ করারও ‘পরামর্শ’ দেন তিনি। তবে কেন্দ্রের তরফে এই নিয়ে লিখিত কোনও নির্দেশিকা দেওয়া হয়নি।

সূত্রের খবর, সরকারি নির্দেশিকা না-থাকলেও মন্ত্রীর ‘পরামর্শ’ মেনে ১০ মিনিটে ডেলিভারির দাবি সংবলিত বিজ্ঞাপন না-দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্লিঙ্কইট। বৈঠকে অংশ নেওয়া অন্য ই-কমার্স সংস্থাগুলিও একই পথে হাঁটতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এএনআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিজেদের কোনও বিজ্ঞাপনে আর ১০ মিনিটে পণ্য ডেলিভারি করার দাবি করবে না ব্লিঙ্কইট। নতুন বিজ্ঞাপনগুলিতে লেখা হবে, “১০ হাজারেরও বেশি পণ্য মাত্র ১০ মিনিটে ডেলিভারি করা হয়েছে।” কোনও কোনও বিজ্ঞাপনে লেখা হবে, “৩০ হাজারের বেশি পণ্য আপনার দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি আমরা।”

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, গিগ কর্মীদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্লিঙ্কইট। অনেক সময়েই দ্রুত পণ্য ডেলিভারি করার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দ্রুত গতিতে বাইক ছোটান গিগ কর্মীরা। এর ফলে অনেক সময়েই দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে সংসদেও সরব হয়েছিলেন বেশ কয়েক জন। ওই সাংসদদের মধ্যে আপের রাঘব চড্ডা অন্যতম। এই প্রসঙ্গে অরবিন্দ কেজরীওয়ালের দলের রাজ্যসভার সাংসদ রাঘব মঙ্গলবার কেন্দ্রকে ধন্যবাদ জানিয়ে সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, “আমরা সবাই মিলে জিতেছি।”

প্রসঙ্গত, মজুরি বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষার মতো অধিকারের দাবিতে গত ২৫ ডিসেম্বর এবং ১ জানুয়ারি দেশ জুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন গিগ কর্মীরা। তবে সেই ধর্মঘটের তেমন কোনও প্রভাব পড়েনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ‘পরামর্শের’ নেপথ্যে এই ধর্মঘটের একটা প্রভাব থাকতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

Advertisement
আরও পড়ুন