Woman Techie Jumped

ছ’মাসের কন্যাকে কোলে নিয়ে আবাসনের সাততলা থেকে ঝাঁপ হায়দরাবাদের তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর! মৃত্যু তরুণীর, বেঁচে গিয়েছে সন্তান

ইশা কেন আত্মঘাতী হলেন, তার কারণ স্পষ্ট নয়। পুলিশ সূত্রে খবর, পরিবারের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। এ ছাড়াও ইশার মেডিক্যাল রেকর্ডও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬ ১৬:৫৪
তথ্যপ্রযুক্তিকর্মী ঈশা সাহু। ছবি: সংগৃহীত।

তথ্যপ্রযুক্তিকর্মী ঈশা সাহু। ছবি: সংগৃহীত।

কোলে ৬ মাসের কন্যাকে নিয়ে সাততলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যু হল এক মহিলা তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর। তরুণীর মৃত্যু হলেও বেঁচে গিয়েছে তাঁর সন্তান। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে তেলঙ্গানার হায়দরাবাদের মিয়াপুর এলাকায়।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম ঈশা সাহু। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। কিন্তু তাঁর কোলে থাকা কন্যার সামান্য আঘাত লেগেছে। দু’জনকেই উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন, ঈশার মৃত্যু হয়েছে আগেই। তবে তাঁর কন্যার সামান্য চোট লেগেছে। শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে শিশুটিকে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হঠাৎ জোরে কিছু একটা নীচে পড়ার আওয়াজ পেয়ে ছুটে যান। তখন দেখেন এক মহিলা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। তার পাশেই এক শিশু। জানা গিয়েছে, মহিলা সরাসরি নীচে আছড়ে পড়লেও তাঁর হাত থেকে ছিটকে শিশুটি প্রথমে একটি প্রোটেক্টিভ ফেন্স বা রক্ষাকারী কাঠামোর উপর পড়ে। তার পর নীচে গিয়ে পড়ে। এত উঁচু থেকে পড়ে কী ভাবে বেঁচে গেল শিশুটি, তাতে হতবাক স্থানীয়েরা। পুলিশ জানিয়েছে, ঈশা মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা। কর্মসূত্রে হায়দরাবাদে থাকতেন। তাঁর দুই কন্যা। বড় কন্যা আট বছরের। ছোট কন্যা ৬ মাসের। পরিবার সূত্রে খবর, ভয়ানক নিদ্রাহীনতার সমস্যা ছিল ঈশার। এ ছাড়া অবসাদেও ভুগছিলেন তিনি।

এই ঘটনাটি যখন ঘটে, সেই সময় পরিবারের অন্য সদস্যেরা ওই আবাসনেই ছিলেন। জানা গিয়েছে, বিকেল পৌনে ৪টে নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে। পরিবার সূত্রে খবর, ঈশার বিয়ে হয়েছিল ১১ বছর আগে। তবে ঈশা কেন ঝাঁপ দিলেন, তার কারণ স্পষ্ট নয়। পুলিশ সূত্রে খবর, পরিবারের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। এ ছাড়াও ঈশার মেডিক্যাল রেকর্ডও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন