Cremation on Road

রাস্তার মাঝেই চিতা সাজিয়ে পোড়ানো হল দলিত বৃদ্ধার দেহ! বিহারের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিল জেলা প্রশাসন

ঘটনাটি চাউর হতেই বৈশালীর জেলাশাসক বর্ষা সিংহ জেলার সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এলাকা পরিদর্শনের সময়ে স্থানীয় বাসিন্দা, পঞ্চায়েতের সদস্য এবং অন্যদের সঙ্গে কথা বলেন। ঠিক কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য ডেপুটি ডেভেলপমেন্ট কমিশনারের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গড়ে দিয়েছেন তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:১৫
চিতায় পুড়ছে দেহ।

চিতায় পুড়ছে দেহ। —ফাইল চিত্র।

শ্মশানে প্রবেশ করতে না পেরে রাস্তার মাঝেই চিতা সাজিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হল বৃদ্ধার দেহ। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের বৈশালী জেলায়। বৃদ্ধার পরিবারের দাবি, শ্মশানে যাওয়ার রাস্তা দোকানদারেরা দখল করে রেখেছিলেন। সেই কারণেই রাস্তায় ৯১ বছর বয়সি ওই বৃদ্ধার দেহ সৎকার করতে বাধ্য হয়েছেন পরিবারের সদস্যেরা। ঘটনায় ইতিমধ্যে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বৈশালীর জেলা প্রশাসন।

Advertisement

ঘটনাটি ঘটেছে বৈশালীর গোরাউল ব্লকে। মৃত চামকি দেবীর পরিবারের দাবি, শ্মশানে যাওয়ার রাস্তাটি এলাকার দোকানদারেরা দখল করে রেখেছিলেন। বার বার অনুরোধ করার পরেও তাঁরা মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার জায়গা করে দেননি। এই নিয়ে দোকানদারদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের তর্কাতর্কিও হয়। অভিযোগ, কিছুতেই দেহ নিয়ে ওই রাস্তা দিয়ে শ্মশানে যেতে দেওয়া হয়নি তাঁদের। মৃতের পুত্র সঞ্জিত মাঝি বলেন, “আমাদের শ্মশানে যেতে দেওয়া হয়নি। তাই এখানেই রাস্তার ধারে দেহ সৎকার করেছি।”

রাস্তার মাঝে দেহ সৎকারের ওই ভিডিয়ো ইতিমধ্যে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও তার সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)। ভিডিয়োগুলি নজরে আসে জেলা প্রশাসনেরও। বিষয়টি চাউর হতেই বৈশালীর জেলাশাসক বর্ষা সিংহ জেলার সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এলাকা পরিদর্শনের সময়ে স্থানীয় বাসিন্দা, পঞ্চায়েতের সদস্য এবং অন্যদের সঙ্গে কথা বলেন। ঠিক কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য ডেপুটি ডেভেলপমেন্ট কমিশনারের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গড়ে দিয়েছেন তিনি। তদন্তকারী এই দলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক)-ও রয়েছেন। তদন্তের পরে তাঁরা জেলাশাসকের কাছে একটি রিপোর্ট জমা দেবেন। বৈশালীর জেলাশাসক জানান, রিপোর্ট খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।

Advertisement
আরও পড়ুন