Car of Constable Rammed

‘মত্ত’ কনস্টেবলের বেপরোয়া গাড়ি পিষে দিল তরুণীকে! হরিয়ানার রাস্তায় দুর্ঘটনা, অভিযোগ দায়ের পরিবারের

বুধবার সকালে ভাই হর্ষ বজাজের সঙ্গে কর্মস্থল গুরুগ্রাম থেকে অম্বালার বাড়িতে ফিরেছিলেন নিকিতা। তিনি গুরুগ্রামের একটি সংস্থায় চার বছর ধরে চাকরি করছিলেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:২৪
দুর্ঘটনায় মৃত নিকিতা বাজাজ।

দুর্ঘটনায় মৃত নিকিতা বাজাজ। ছবি: সংগৃহীত।

বৈদ্যুতিক রিকশায় চেপে পারিবারিক এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন ২৪ বছরের তরুণী। পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাতে অম্বালা ক্যান্টনমেন্টে পিছন থেকে এসে তাতে ধাক্কা দেয় হেড কনস্টেবলের ‘বেপরোয়া’ গাড়ি। ধাক্কার অভিঘাতে রিকশা থেকে ছিটকে পড়েন তিনি। তাঁকে পিষে দেয় সেই গাড়ি। মৃত্যু হয় নিকিতা বজাজ নামে ওই তরুণীর। গুরুগ্রামের একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করতেন তিনি। মৃতার পরিবারের দাবি, ওই পুলিশকর্মী মত্ত অবস্থায় ছিলেন। তাঁকে আড়াল করার চেষ্টা করেছে পুলিশ।

Advertisement

পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে ভাই হর্ষ বজাজের সঙ্গে কর্মস্থল গুরুগ্রাম থেকে অম্বালার বাড়িতে ফিরেছিলেন নিকিতা। তিনি গুরুগ্রামের একটি সংস্থায় চার বছর ধরে চাকরি করছিলেন। তাঁর ভাই দিল্লির একটি হোটেলে চাকরি করেন। রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ ক্যান্টনমেন্ট থেকে অম্বালা শহরে যাওয়ার জন্য বৈদ্যুতিক রিকশায় চাপেন নিকিতা এবং হর্ষ। সে সময় দুরন্ত গতিতে পিছন থেকে ছুটে এসে ধাক্কা দেয় হেড কনস্টেবলের গাড়ি। রিকশা থেকে নিকিতা পড়ে গেলে তাঁকে পিষে দেয় গাড়িটি। নিকিতাকে কাছের এক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

রিকশাচালক রবীন্দ্র সিংহ জানিয়েছেন, স্থানীয়েরা ছুটে এসে গাড়ির চালককে ধরে ফেলেন। তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের কারও কারও দাবি, ওই পুলিশকর্মী মত্ত অবস্থায় ছিলেন। তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন বাকি পুলিশ কর্মীরা। মৃতার পরিবারের লোকজন হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা দাবি করেন, ঘাতক গাড়ির চালক মত্ত কি না, তা সকলের সামনে হাসপাতালে পরীক্ষা করানো হোক। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তারা জানিয়েছে, পরিবারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন