Export Duty

পেট্রল, ডিজ়েল ও বিমান জ্বালানির রফতানি শুল্ক কমাল কেন্দ্র, তবে অপরিবর্তিত ঘরোয়া কর

রফতানি শুল্ক হ্রাস বা বৃদ্ধির সঙ্গে দেশীয় বাজারে জ্বালানি খরচের কোনও সম্পর্ক নেই। অর্থাৎ, এই শুল্ক বাড়লে বা কমলে দেশে পেট্রল, ডিজ়েল বা বিমানের জ্বালানির খরচ অপরিবর্তিতই থাকে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩১ মে ২০২৬ ১৩:১০
Central Government cuts export tax on Petrol, Diesel, Jet Fuel from June 1

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

পশ্চিম এশিয়ায় সঙ্কট অব্যাহত। বিশ্ব বাজারে পেট্রল-ডিজ়েল-সহ জ্বালানির দাম ঊর্ধ্বমুখী। তবে এই পরিস্থিতিতে সোমবার থেকে জ্বালানির উপর চাপানো রফতানি শুল্কের পরিমাণ কমানোর সিদ্ধান্ত নিল নরেন্দ্র মোদী সরকার। পেট্রল, ডিজ়েল ছাড়াও বিমানের জ্বালানির রফতানি শুল্কও হ্রাস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

সরকারি সূত্রের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করেই এই শুল্ক কাঠামো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

সংশোধিত কাঠামো অনুযায়ী, পেট্রলের রফতানি শুল্ক কমিয়ে প্রতি লিটারে ১.৫০ টাকা করা হয়েছে। ডিজ়েলের ক্ষেত্রে লিটার প্রতি রফতানির শুল্ক ধার্য কমিয়ে করা হয়েছে সাড়ে ১৩ টাকা। আর বিমান জ্বালানির ক্ষেত্রে লিটার প্রতি সাড়ে ৯ টাকা রফতানি শুল্ক কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।

মার্চ মাসের শেষের দিকে ডিজ়েলে রফতানি শুল্ক ধার্য করা হয়েছিল। যে সব ভারতীয় সংস্থা বিদেশে ডিজ়েল রফতানি করে, তাদের প্রতি লিটারে ২১.৫ টাকা শুল্ক গুনতে হত। সেই শুল্কের পরিমাণ এক ধাক্কায় প্রতি লিটারে ৩৪ টাকা করে বাড়িয়ে দেওয়া হয়। বর্ধিত রফতানি শুল্কের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রতি লিটারে ৫৫.৫ টাকা। তবে ১ জুন থেকে সেই শুল্কের পরিমাণ কমিয়ে লিটার প্রতি সাড়ে ১৩ টাকায় আনা হয়েছে। শুধু ডিজ়েল নয়, বিমানের জ্বালানি রফতানিতেও অতিরিক্ত শুল্কের কথা জানিয়েছিল কেন্দ্র।

রফতানি শুল্ক হ্রাস বা বৃদ্ধির সঙ্গে দেশীয় বাজারে জ্বালানি খরচের কোনও সম্পর্ক নেই। অর্থাৎ, এই শুল্ক বাড়লে বা কমলে দেশে পেট্রল, ডিজ়েল বা বিমানের জ্বালানির খরচ অপরিবর্তিতই থাকে।

হরমুজ় প্রণালী গোটা বিশ্বের অর্থনীতির অন্যতম নিয়ন্ত্রক। বিশ্বের মোট খনিজ তেলের এক পঞ্চমাংশ এই জলপথে যাতায়াত করে। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ বাহিনীর হামলার পর হরমুজ় প্রণালী প্রায় সব দেশের জন্যেই বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান। ফলে বিশ্ব জুড়েই জ্বালানি সঙ্কটের সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে পরে ভারত-সহ কয়েকটি দেশের জন্য হরমুজ় প্রণালী খুলে দেয় তেহরান। যদিও সঙ্কটকালে ভারত বার বার দাবি করেছে, অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনীয় জ্বালানি মজুত রয়েছে ভারতে। তবে গত কয়েক দিনে দফায় দফায় দেশের বাজারে পেট্রল, ডিজ়েলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন