US Iran Tension

গরমকালে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে বাধা হবে না পশ্চিম এশিয়ার সংঘর্ষ, রয়েছে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা, আশ্বাস দিল কেন্দ্র

দেশে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়, তার খুব সামান্য অংশই আসে গ্যাস থেকে (মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রায় ২ শতাংশ)। শতাংশের হিসাবে কম হলেও গ্যাসের মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ খুব একটা কম নয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২১ মার্চ ২০২৬ ২১:২১
পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি ভারতের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে বাধা হবে না, আশ্বাস দিল কেন্দ্র।

পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি ভারতের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে বাধা হবে না, আশ্বাস দিল কেন্দ্র। —ফাইল চিত্র।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি ক্ষেত্রে উদ্বেগ দানা বেঁধেছে। তবে বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে তেমন কোনও সমস্যা হবে না বলেই মনে করছে নয়াদিল্লি। কেন্দ্রের দাবি, গরমের মরসুমে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করতে যথেষ্ট সক্ষম দিল্লি। দেশের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করার ক্ষেত্রে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি কোনও বাধা হবে না বলেই জানানো হয়েছে।

Advertisement

শনিবার দিল্লিতে বিদ্যুৎ বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎসচিব পঙ্কজ আগরওয়াল। ওই অনুষ্ঠানের ফাঁকেই তিনি রয়টার্সকে বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট আমাদের দেশের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে কোনও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বলেই আমরা মনে করছি।”

বস্তুত, দেশে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়, তার খুব সামান্য অংশই আসে গ্যাস থেকে (মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রায় ২ শতাংশ)। শতাংশের হিসাবে কম হলেও গ্যাসের মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ খুব একটা কম নয়। গ্রীষ্মের মরসুমে বা তীব্র তাপপ্রবাহের সময়ে যখন বিদ্যুতের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে, তখন প্রায় ৮ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরি হয় গ্যাস থেকে। তবে কেন্দ্রের বক্তব্য, গ্যাসের সরবরাহে কোনও সমস্যা দেখা দিলেও তা পুষিয়ে নেওয়ার জন্য দেশে কয়লা এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির পর্যাপ্ত ক্ষমতা রয়েছে।

কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎসচিব পঙ্কজ জানান, গুজরাতে ৪ গিগাওয়াটের একটি কয়লাবিদ্যুৎকেন্দ্র পুনরায় চালু করা হতে পারে। এ ছাড়া বায়ুশক্তিচালিত কিছু বিদ্যুৎপ্রকল্প থেকেও শীঘ্রই বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে দিনের বেলায় সর্বোচ্চ ২৭০ গিগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। এটি পূরণ করার জন্য দেশে পর্যাপ্ত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

Advertisement
আরও পড়ুন