Death Penalty

ফাঁসির পরিবর্তে অন্য উপায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত কি না, তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে বিবেচনা করা হচ্ছে: সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র

ফাঁসির পরিবর্তে অন্য কোনও উপায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত, এই দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন এক আইনজীবী। বৃহস্পতিবার বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি ছিল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:০৬
মৃত্যুদণ্ডের জন্য ফাঁসি এক ‘নিষ্ঠুর’ পদ্ধতি, দাবি মামলাকারীর।

মৃত্যুদণ্ডের জন্য ফাঁসি এক ‘নিষ্ঠুর’ পদ্ধতি, দাবি মামলাকারীর। — প্রতীকী চিত্র।

ফাঁসির বদলে অন্য কোনও উপায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত কি না, তা বিবেচনা করে দেখছে কেন্দ্র। এই বিষয়টি সর্বোচ্চ পর্যায়ে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে এমনটাই জানাল কেন্দ্রীয় সরকার।

Advertisement

মৃত্যুদণ্ডের পদ্ধতি বদল করার জন্য সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি ছিল। সেখানে কেন্দ্রের তরফে অ্যাটর্নি জেনারেল আর বেঙ্কটরমণি সওয়াল করেন, “সরকার এই বিষয়টি সর্বোচ্চ স্তরে খতিয়ে দেখছে।”

ফাঁসির পরিবর্তে অন্য কোনও উপায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত, এই দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন এক আইনজীবী। মামলাকারীর দাবি, ফাঁসির মাধ্যমে কারও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া একটি নিষ্ঠুর এবং বর্বর পদ্ধতি। জীবনযাপনের অধিকারের সঙ্গে কোনও ব্যক্তির সম্মানের সঙ্গে মৃত্যুবরণের অধিকারও জড়িত বলে আদালতে সওয়াল করেন তিনি। এ অবস্থায় ফাঁসির বদলে প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন বা সমতুল্য কোনও বিকল্প পদ্ধতি চালু করার কথা বিবেচনা করা উচিত বলে আদালতে জানান মামলাকারী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যে ইতিমধ্যে ফাঁসি দেওয়া বন্ধ করেছে, তা-ও আদালতে জানান তিনি।

গত বেশ কয়েক বছর ধরে এই মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টে। অতীতে শুনানির এক পর্যায়ে আদালত জানতে চায়, কেন্দ্রীয় সরকার এই মামলায় কোনও জবাব দিয়েছে কি না। জবাবে ওই মামলাকারী আইনজীবী জানান, অ্যাটর্নি জেনারেল ইঙ্গিত দিয়েছেন যে অন্য উপায়ের বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য কেন্দ্র একটি কমিটি গঠনের কথা ভাবছে। তবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা দেওয়ার জন্য প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশনের ব্যবহার কতটা বাস্তবভিত্তিক, তা নিয়েও অতীতে সংশয় প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। গত অক্টোবরে এই সংক্রান্ত এক শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র জানায়, প্রাণঘাতী ইনজেকশনের ব্যবহার ‘খুব বেশি কার্যকরী’ না-ও হতে পারে বলে মনে করছে তারা।

Advertisement
আরও পড়ুন