Cockroach Janata Party

নির্বাচনে লড়বে কি ‘ককরোচ’ পার্টি? দলের অবস্থান স্পষ্ট করলেন প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ, সমালোচনা মোদীরও

অভিজিতের কথায়, ‘‘বিশ্বে কিছু ঘটলে প্রধানমন্ত্রীজি টুইট করেন, অথচ দেশে পড়ুয়ারা আত্মহত্যা করছেন, তা নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য নেই। প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা পর্যন্ত নেই।’’

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬ ১৯:৪০
Cockroach party founder says they won\\\'t contest polls

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। ছবি: পিটিআই।

নির্বাচনে লড়ার কোনও ইচ্ছা নেই। মঙ্গলবার এমনই ইঙ্গিত দিলেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনাও শোনা যায় তাঁর কণ্ঠে। তাঁর দাবি, নিট কেলেঙ্কারির পর দেশ জুড়ে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছোতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement

নিট দুর্নীতির প্রতিবাদে দেশ জুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চলছে। সেই আবহেই তৈরি হয় ‘ককরোচ’ দল। সমাজমাধ্যমে তৈরি হওয়া দলের জনপ্রিয়তা হু হু করে বাড়তে থাকে। এই দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ পড়াশোনার সূত্রে বস্টনে ছিলেন। তবে নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে শামিল হতে ভারতে ফেরেন তিনি। দিল্লির যন্তরমন্তর থেকে শুরু হয়েছে সেই প্রতিবাদ। অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছিল, এ বার কি ভোটের ময়দানেও দেখা যাবে ‘ককরোচ’ দলকে?

সেই জল্পনার অবসান ঘটালেন অভিজিৎ। তাঁর প্রশ্ন, ‘‘আমরা কেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব? যদি এই দেশের প্রত্যেককে তাঁদের অধিকারের দাবিতে নির্বাচনে লড়তে হয়, তবে কী ভাবে কাজ হবে?’’ অভিজিৎ মনে করেন, নিট কেলেঙ্কারির পর যে পাঁচ-ছ’জন পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের পরিবারের সঙ্গে আগে দেখা করা উচিত প্রধানমন্ত্রীর।

অভিজিতের কথায়, ‘‘বিশ্বে কিছু ঘটলে প্রধানমন্ত্রীজি টুইট করেন, অথচ দেশে পড়ুয়ারা আত্মহত্যা করছেন, তা নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য নেই। প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা পর্যন্ত নেই। আর কত দিন আপনি ‘মন কী বাত’ বলবেন? অন্তত পড়ুয়াদের ‘মন কী বাত’ শুনুন?’’ অভিজিৎ আরও বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী যদি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে, তা হলে উনি তাঁদের সমস্যাগুলি বুঝতে পারতেন। সমাধান খুঁজতে পারতেন।’’ তাঁর হুঁশিয়ারি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান যত দিন পর্যন্ত না ইস্তফা দিচ্ছেন, তত দিন তাঁদের আন্দোলন থামবে না।

নিট দুর্নীতির প্রতিবাদে সোমবার জয়পুরের শহিদ স্মারকে কর্মসূচি ছিল সিজেপির। জয়পুরের সেই কর্মসূচিতে ভাষণ দিতে যাচ্ছিলেন দীপকে। তার আগে প্রতিষ্ঠাতাকে কাঁধে তুলে নেন সিজেপির সমর্থকেরা। অভিযোগ, সে সময়ই ভিড়ের মধ্যে থেকে কয়েক জন তাঁকে চড় মারেন। অভিযুক্তদের সঙ্গে সঙ্গে ধরে ফেলেন সিজেপির সমর্থকেরা। সোমবার ঘটনার নেপথ্যে আরএসএস-এর যোগ দেখছেন অভিজিৎ। তাঁর কথায়, ‘‘যখনই কেউ সরকার বা তাদের আদর্শের বিরুদ্ধে কথা বলেন, তখনই তাঁদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়।’’ অভিজিতের দাবি, তাঁরা কখনওই নিজেদের দাবি থেকে সরে আসবেন না।

Advertisement
আরও পড়ুন