(বাঁ দিকে) নরেন্দ্র মোদী, মল্লিকার্জুন খড়্গে (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করে কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের বিরুদ্ধে। কর্নাটকের পরে এ বার তামিলনাড়ুতে। ঠিক তিন বছরের ব্যবধানে।
তামিলনাড়ুর বিধানসভা ভোটের প্রচারে গিয়ে মঙ্গলবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন খড়্গে। অভিযোগ, সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে চিহ্নিত করেন। এর পরে এক সাংবাদিক প্রশ্ন তুললে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, “আমি বলতে চেয়েছি, প্রধানমন্ত্রী মোদী দেশের সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে আতঙ্কিত করছেন। আমি প্রধানমন্ত্রীকে সন্ত্রাসবাদী বলিনি।’’
যদিও ভোটপ্রচারের শেষ দিনে খড়গের ‘মন্তব্যকে’ হাতিয়ার করে সুযোগের সদ্ব্যবহারে ময়দানে নেমে পড়েছে বিজেপি। কংগ্রেসকে ‘শহুরে (আরবান) নকশালদের দল’ বলেছে তারা। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে তামিলনাড়ুর ভোটে বিজেপির সহযোগী এডিএমকে-কেও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন খড়্গে। তিনি বলেন, “এই এডিএমকের লোকেরা, যাঁরা দ্রাবিড় আন্দোলনের নেতা আন্নাদুরাইয়ের ছবি ব্যবহার করেন, তাঁরা কী ভাবে মোদীর সঙ্গে যোগ দিতে পারেন? মোদীর দল সমতা ও ন্যায়বিচারে বিশ্বাস করে না। এডিএমকে মোদীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে আন্নাদুরাই, কামরাজ, পেরিয়ার, কলাইগ্নার (করুণানিধি), বাবা সাহেব অম্বেডকরের দর্শনকে দুর্বল করছে।’’
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে কর্নাটকে বিধানসভা ভোটের প্রচারে বিষাক্ত সাপের সঙ্গে মোদীর তুলনা করেছিলেন খড়্গে। তিনি বলেছিলেন ‘‘প্রধানমন্ত্রী মোদী হলেন বিষাক্ত সাপের মতো। আপনি হয়তো ভাববেন, এই সাপে কি বিষ আছে না নেই। কিন্তু তা করতে গিয়ে যদি একবারও সাপটি চেটে ফেলে, মৃত্যু অবধারিত।’’ খড়্গের ওই মন্তব্য নিয়ে প্রত্যাশিত ভাবেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বিজেপি। শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে ক্ষমা চেয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি।