Asaduddin Owaisi

রাজ্যসভায় দু’টি রাজ্যে ওয়েইসির সাহায্যপ্রার্থী কংগ্রেস

কংগ্রেস সূত্রের খবর, রাজ্যসভায় এ বার তামিলনাড়ু থেকে কংগ্রেসের জনসংযোগ দফতরের চেয়ারম্যান পবন খেরাকে জিতিয়ে আনার চেষ্টা হচ্ছে।

প্রেমাংশু চৌধুরী
শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৩৩
সাদউদ্দিন ওয়েইসি।

সাদউদ্দিন ওয়েইসি। — ফাইল চিত্র।

লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা সাংসদ হওয়ায় মোদী সরকারের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের আক্রমণে আরও ধার বেড়েছে। রাজ্যসভায় সনিয়া গান্ধী ও দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে থাকলেও আক্রমণের ঝাঁজ আরও বাড়ানো প্রয়োজন বলে কংগ্রেস নেতৃত্ব মনে করছেন। তাই তামিলনাড়ুতে ইন্ডিয়া জোটের শরিক ডিএমকে-র সঙ্গে, বিহার ও তেলঙ্গানায় আসাদউদ্দিন ওয়েইসি-র এমআইএম দলেরও সমর্থন চাইছে কংগ্রেস। বিহারের বিধানসভা নির্বাচনের সময় যে ওয়েইসি-র জোটের প্রস্তাব কংগ্রেস খারিজ করে দিয়েছিল।

কংগ্রেস সূত্রের খবর, রাজ্যসভায় এ বার তামিলনাড়ু থেকে কংগ্রেসের জনসংযোগ দফতরের চেয়ারম্যান পবন খেরাকে জিতিয়ে আনার চেষ্টা হচ্ছে। আসন্ন তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে ডিএমকে-র সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে কথা বলতে রবিবার কংগ্রেসের সাংগঠনিক সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল চেন্নাইয়ে ডিএমকে-প্রধান এম কে স্ট্যালিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে তামিলনাড়ুতে ছ’টি আসন রয়েছে। ডিএমকে চারটি আসন পাবে। এর মধ্যে পবন খেরার জন্য একটি আসন ছেড়ে দেওয়ার জন্য স্ট্যালিনকে অনুরোধ করেছে কংগ্রেস। ডিএমকে প্রাথমিক ভাবে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বলে সূত্রের দাবি।

কংগ্রেস শাসিত তেলঙ্গানা থেকে রাজ্যসভার দু’টি আসনে নির্বাচন হবে। একটি আসনে অভিষেক মনু সিঙ্ঘভির প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত। অন্য আসনে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থী, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বি সুদর্শন রেড্ডিকে জিতিয়ে আনতে কংগ্রেস ওয়েইসি-র দল এমআইএম-এর সাহায্য চাইছে। ওয়েইসির সঙ্গে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির ব্যক্তিগত সম্পর্ক মধুর। তিনিই দৌত্য করছেন।

বিহারে রাজ্যসভার পাঁচটি আসনে নির্বাচন। এর মধ্যে চারটি আসন জেডিইউ, বিজেপির ঝুলিতে যাবে। পঞ্চম আসন জেতার জন্য কংগ্রেস-আরজেডি-বাম জোটের অন্তত ৪১ জন বিধায়ক দরকার। রয়েছে ৩৫ জন। সে ক্ষেত্রে ওয়েইসি-র এমআইএম-এর পাঁচ জন বিধায়ক ও বিএসপি-র এক জন বিধায়কের উপরে ভরসা করে বিরোধী শিবিরের কাউকে জিতিয়ে আনার চেষ্টা হচ্ছে।

যদিও এমআইএম জাতীয় স্তরে বা বিহারে বিরোধী জোটের শরিক নয়। একই ভাবে ওড়িশা থেকে রাজ্যসভায় বিরোধী শিবিরের কাউকে জিতিয়ে আনতে কংগ্রেস বিজু জনতা দলের সঙ্গে দৌত্য শুরু করেছে। ওড়িশার চারটি আসনের মধ্যে বিজেপি দু’টি, বিজু জনতা দল একটি আসন পাবে। কংগ্রেস ও বিজু জনতা দল হাত মেলালে দু’দলের পছন্দের কাউকে জিতিয়ে আনা সম্ভব।

আরও পড়ুন