Mysterious Death

দেশে ফিরল নাবিকের অঙ্গহীন দেহ

উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়ার বাসিন্দা রাকেশ ২০২৫ সালের নভেম্বরে ‘এক্সফিনিটি’ নামে একটি সংস্থার তত্ত্বাবধানে পণ্যবাহী জাহাজের নাবিকের কাজ নিয়ে ভেনেজ়ুয়েলায় যান। তাঁর বাবা রামদেব চৌহান জানিয়েছেন, গত মে মাসে সংস্থা তাঁদের জানায়, জাহাজের মধ্যে পড়ে গিয়ে রাকেশ গুরুতর ভাবে জখম হয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদন
শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬ ০৭:৪৬

— প্রতীকী চিত্র।

ভেনেজ়ুয়েলায় কর্মরত এক ভারতীয় নাবিকের রহস্য-মৃত্যু ঘিরে ক্ষোভে ফেটে পড়ল তাঁর পরিবার এবং নাবিকদের সংগঠন। তারা জানিয়েছে, রাকেশ চৌহান (৩৩) নামে ওই নাবিকের মৃতদেহ দেশে ফেরানো হলেও তাতে মস্তিষ্ক, হৃদ্‌যন্ত্র, ফুসফুস-সহ প্রায় সমস্ত অভ্যন্তরীণ অঙ্গ অনুপস্থিত। সংশ্লিষ্ট সংস্থা কিংবা বিদেশি রাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ এর কারণও ব্যাখ্যা করেননি। কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের দাবি তুলেছেন পরিবারের সদস্যেরা, সংগঠনও।

উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়ার বাসিন্দা রাকেশ ২০২৫ সালের নভেম্বরে ‘এক্সফিনিটি’ নামে একটি সংস্থার তত্ত্বাবধানে পণ্যবাহী জাহাজের নাবিকের কাজ নিয়ে ভেনেজ়ুয়েলায় যান। তাঁর বাবা রামদেব চৌহান জানিয়েছেন, গত মে মাসে সংস্থা তাঁদের জানায়, জাহাজের মধ্যে পড়ে গিয়ে রাকেশ গুরুতর ভাবে জখম হয়েছেন। তাঁর চিকিৎসা চলছে। পরের দিন সন্ধ্যার দিকে পরিবারকে রাকেশের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। সেই সঙ্গে আশ্বাস দেওয়া হয়, এক সপ্তাহের মধ্যে মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। কিন্তু মৃতদেহ দেওরিয়ায় এসে পৌঁছয় প্রায় দু’মাস পরে। অটোপসি করতে গিয়ে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, মৃতদেহে মস্তিষ্ক, হৃদ্‌যন্ত্র, ফুসফুস, যকৃৎ, কিডনি, প্লীহা, অগ্ন্যাশয়, পাকস্থলী, অন্ত্র, স্বরযন্ত্র, শ্বাসনালী, থাইরয়েড-সহ প্রায় কোনও গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ অঙ্গই নেই। ফলে মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করা অসম্ভব। নাবিকদের সংগঠন এফএসইউআই রাকেশের পরিবারের ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছে।

আরও পড়ুন