Andhra Bus Fire

আবার অন্ধ্রপ্রদেশ! যাত্রিবাহী বাসের চাকা ফেটে ডিভাইডারে ধাক্কার পরই আগুন, ঝলসে মৃত তিন, আহত অনেকে

জানা গিয়েছে, বাসটি অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোর থেকে তেলঙ্গানার হায়দরাবাদে যাচ্ছিল। সেই সময় আচমকাই বাসের ডান দিকের চাকা ফেটে যায়। চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৩০
অগ্নিদগ্ধ সেই বাস। ছবি: সংগৃহীত।

অগ্নিদগ্ধ সেই বাস। ছবি: সংগৃহীত।

আবার অন্ধ্রপ্রদেশ। যাত্রিবাহী চলন্ত বাসে আগুন ধরে গিয়ে মৃত্যু হল তিন জনের। আহত অনেকে। বুধবার মাঝরাতে সকালে ঘটনাটি ঘটেছে নান্দিয়াল জেলায়।

Advertisement

জানা গিয়েছে, বাসটি অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোর থেকে তেলঙ্গানার হায়দরাবাদে যাচ্ছিল। সেই সময় আচমকাই বাসের ডান দিকের চাকা ফেটে যায়। চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। বাসটির গতি বেশি থাকায় সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। তার পর সেটি ডিভাইডার টপকে পাশের লেনে উঠে যায়। সেই সময় ওই লেন ধরেই একটি ট্রাক আসছিল। সেটিতে অনেক মোটরবাইক ছিল। বাসের সঙ্গে ওই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তার পরই ট্রাক এবং বাসে আগুন ধরে যায়।

পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটেছে রাত দেড়টা নাগাদ। স্থানীয়েরা জানিয়েছেন, মাঝরাতে বিকট একটা শব্দে ঘুম ভেঙ যায় তাঁদের। রাস্তায় এসে দেখেন একটি বাস এবং ট্রাকের সংঘর্ষ হয়েছে। আগুন ধরে গিয়েছে দু’টি বাহনেই। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা উদ্ধারকাজে হাত লাগান। বাসের হেল্পার জানলা ভেঙে যাত্রীদের উদ্ধার করেন। স্থানীয়েরাও তৎপরতার সঙ্গে কাজ করেন। কিন্তু আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল যে সকলকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ঝলসে মৃত্যু হয় তিন জনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন বাস এবং ট্রাকচালক এবং বাসের আর এক কর্মী। বাসে ৩৬ জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের বেশির ভাগকেই উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের নান্দিয়াল জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

এর আগে গত বছরের অক্টোবরে অন্ধ্রের কুর্নুলে যাত্রিবাহী বাসের সঙ্গে বাইকের সংঘর্ষে আগুন ধরে মৃত্যু হয়েছিল ২০ জনের। বেসরকারি সংস্থার মালিকানাধীন বাসটি ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে এগোচ্ছিল। সংঘর্ষের পর বাসের সামনে আটকে যায় বাইকটি। ওই অবস্থায় কিছু দূর যাওয়ার পরেই আগুন ধরে যায় বাসটিতে। ঘটনাচক্রে, রাজস্থানের মতোই হায়দরাবাদেও দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটি বাতানুকূল (এসি) ছিল। দুর্ঘটনার সময় অনেক যাত্রীই ঘুমিয়েছিলেন। তবে বাসে আগুন ধরেছে বুঝতে পারার পরেই তাঁদের অনেকে জানলা ভেঙে লাফিয়ে প্রাণ বাঁচান। কিন্তু অনেকেই বাইরে বেরোতে পারেননি।

Advertisement
আরও পড়ুন