Encounter in Haryana

প্যারোলে ছাড়া পেয়েই খুনের ষড়যন্ত্র! ধাওয়া করল পুলিশ,পালাতে গিয়ে সংঘর্ষে মৃত্যু যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির!

পুলিশের দাবি, গ্রেফতারি এড়াতে গোপাল পুলিশকর্মীদের দিকে নির্বিচারে গুলি চালান। দু’টি গুলি পুলিশের গাড়িতে লাগে। আর একটি হেড কনস্টেবল দেবেন্দ্রের হাতে লাগে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২২ জুন ২০২৬ ১৬:৫১
Haryana\\\\\\\'s wanted criminal killed in police encounter

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

প্যারোলে ছাড়া পেয়েই খুনের ষড়যন্ত্র যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাঁকে ধরতে যায় পুলিশ। তবে পুলিশ দেখেই পালানোর চেষ্টা করেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিও চালান। পাল্টা গুলি পুলিশের। সেই গুলিতেই মৃত্যু হল ওই আসামির।

Advertisement

সংগঠিত অপরাধের বিরুদ্ধে হরিয়ানা পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। সেই অভিযানের অংশ হিসাবে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির খোঁজ শুরু করেছিল পুলিশ। গোপাল নামে ওই আসামির বিরুদ্ধে দু’ডজনের বেশি ফৌজদারি মামলা ছিল। বিচারক তাঁকে যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা শুনিয়েছিলেন। বেশ কয়েক দিনে জেলে কাটানোর পর আদালতে প্যারালের আবেদন করেছিলেন গোপাল। প্যারোলে জেল থেকে বেরিয়েই খুনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন তিনি। এনডিটিভি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সোনিপতের পুলিশ কমিশনার মমতা সিংহ বলেন, ‘‘গোপাল তাঁর এক কথিত শত্রুকে খুন করার জন্য ঘুরছিলেন। সেই গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে ধরার জন্য অভিযান চালায়।’’

পুলিশের দাবি, গ্রেফতারি এড়াতে গোপাল পুলিশকর্মীদের দিকে নির্বিচারে গুলি চালান। দু’টি গুলি পুলিশের গাড়িতে লাগে। আর একটি হেড কনস্টেবল দেবেন্দ্রের হাতে লাগে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির সময় গোপাল গুরুতর জখন হন। অভিযুক্ত এবং আহত পুলিশকর্মী, দু’জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে গোপালকে মৃত ঘোষণা করেন। দেবেন্দ্র চিকিৎসাধীন। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।

পুলিশের নথি থেকে জানা গিয়েছে, সোনিপত জেলার আতায়াল গ্রামের বাসিন্দা গোপাল। তাঁর দীর্ঘ অপরাধের ইতিহাস রয়েছে। ২০১০ সালের একটি হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। পরে ২০১৬ সালে গানৌর এলাকায় আরও একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় তাঁর। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ৭০ দিনের প্যারোলে জেল থেকে ছাড়া পান গোপাল। প্যারোলে থাকাকালীন একাধিক অপরাধমূলক কাজকর্ম করেছিলেন। মদের দোকানে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, গাড়ি চুরি, এক ব্যক্তিকে খুনের চেষ্টার মতো অভিযোগে নাম জড়ায় গোপালের। প্যারোলের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও আত্মসমর্পণ করেননি তিনি। পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। তাঁর খোঁজে অভিযান চালায় পুলিশ। তখনই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হয় গোপালের।

Advertisement
আরও পড়ুন