I-PAC Case

ভোটের পরের দিনই জামিন পেলেন আই-প্যাক কর্তা বিনেশ চান্দেল! আবেদনের বিরোধিতা করল না কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি

বুধবার পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হয়েছে। ঘটনাচক্রে, তার পরের দিনই জামিন পেলেন আই-প্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ। তাঁর জামিনের আবেদনের কোনও বিরোধিতা করেনি ইডি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ১১:০৩
আই-প্যাকের অন্যতম ডিরেক্টর বিনেশ চান্দেল।

আই-প্যাকের অন্যতম ডিরেক্টর বিনেশ চান্দেল। —ফাইল চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গে দু’দফার ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হতেই জামিন পেলেন ভোটকুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (আই-প্যাক)-র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ চান্দেল। দিল্লির পটিয়ালা হাউজ় কোর্ট বৃহস্পতিবার তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে। জানা যাচ্ছে, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর তরফে তাঁর জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করা হয়নি।

Advertisement

আই-প্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং ডিরেক্টর বিনেশকে জিজ্ঞাসাবাদের পরে গত ১৩ এপ্রিল গ্রেফতার করেছিল ইডি। তখনও রাজ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়নি। বুধবারই দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হয়েছে। ঘটনাচক্রে, তার পরের দিন, বৃহস্পতিবার সকালেই জানা যায়, জামিন পেয়েছেন বিনেশ।

গ্রেফতারির পরে গত ১৪ এপ্রিল দিল্লির আদালত বিনেশের ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল। ওই মেয়াদ শেষের পরে গত ২৩ এপ্রিল আদালত তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার একটি অন্তর্বর্তী জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন বিনেশ। সেই আবেদনটিও তখন খারিজ হয়ে গিয়েছিল।

বৃহস্পতিবার সকালে জানা যায়, বিনেশের জামিন মঞ্জুর করেছে দিল্লির পটিয়ালা হাউজ় কোর্ট। আইনি খবর পরিবেশকারী ওয়েবসাইট ‘লাইভ ল’ জানাচ্ছে, আদালত বিনেশকে জামিন দেওয়ার সময়ে তার কোনও বিরোধিতা করেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি।পটিয়ালা হাউজ় কোর্টের বিচারক অমিত বনসল জামিনের নির্দেশ দেওয়ার সময়ে জানান, বিশেষ সরকারি আইনজীবীকে জামিনের বিরোধিতা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা করেননি।

আর্থিক তছরুপের একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। এর আগে আদালতে ইডি জানিয়েছিল, আই-প্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ৩৩ শতাংশের অংশীদার। অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ)-এর অধীনে একটি মামলায় তিনি তদন্তাধীন রয়েছেন। এই মামলার সূত্রপাত, দিল্লি পুলিশের কাছে দায়ের করা একটি এফআইআর থেকে। পরে মামলার তদন্তভার নেয় ইডি।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি এই মামলায় আই-প্যাকের দফতর এবং সংস্থার আর এক প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রতীক জৈনের কলকাতার বাসভবনে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেই অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে প্রতীকের বাড়ি এবং দফতরে যান। অভিযোগ, ইডির তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী আইপ্যাক-কর্তা প্রতীকের বাড়িতে ঢুকে নথিপত্র, ফাইল এবং ল্যাপটপ বার করে এনেছিলেন। তার পরে সল্টলেকে সংস্থার দফতরে গিয়েও একই কাজ করেন। ওই অভিযান নিয়ে পরে মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টেও।

Advertisement
আরও পড়ুন