—প্রতীকী ছবি।
দিল্লি হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে ভার্চুয়াল শুনানি চলছিল। বার বারই সেই শুনানি বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছিল। স্ক্রিনে প্রতি বারই ভেসে উঠছিল, ‘হ্যাক করা হল’ (ইউ হ্যাভ বিন হ্যাকড)। তার পরই অশ্লীল ভিডিয়ো চালু হয়ে যাচ্ছিল। বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার ভিডিয়ো কনফারেন্সে শুনানি চলাকালীন এমন ঘটনায় রীতিমতো হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। এই ঘটনার পরই দিল্লি হাই কোর্টের প্রশাসনিক বিভাগ দিল্লি পুলিশের ইন্টেলিজেন্স ফিউশন অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক অপারেশনস (আইএফএসও)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে।
কী ভাবে এই ধরনের ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, হাই কোর্টের তরফে একটি অভিযোগ পেয়েছে তারা। তদন্ত শুরু হয়েছে এবং তা একদম প্রাথমিক পর্যায়ে। সাংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুনানির মাঝে দু’বার এই ঘটনা ঘটে। শুনানি বন্ধ করতে হয় শেষমেশ। প্রতিবারই আপত্তিজনক ভিডিয়ো ভেসে উঠছিল। প্রথম বার বিঘ্ন ঘটায় শুনানি বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিছু পরে আবার নতুন করে ভার্চুয়াল শুনানি শুরু হয়। কিন্তু এ বারও সেই একই ঘটনা ঘটে। তার পরই শুনানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যে দু’বার ভার্চুয়াল শুনানি বন্ধ করতে হয়েছে, সেই দু’বারই স্ক্রিনে ফুটে ওঠে, ‘হ্যাক করা হল’। একটি স্বয়ংক্রিয় কণ্ঠও শোনা যায়। লাইভ ল-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভার্চুয়াল শুনানির সময় অজ্ঞাতপরিচয় কেউ এক জন লগ ইন করেন। তিনি নিজের কম্পিউটারের স্ক্রিন শেয়ার করছিলেন। তাতে অশ্লীল ভিডিয়ো চালানো হচ্ছিল। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রীধর স্বর্ণবত এবং শ্রীজিৎ সিংহ নামে দু’টি অ্যাকাউন্ট থেকে ওই স্ক্রিন শেয়ার করা হচ্ছিল। এই ঘটনায় আদালতের ভার্চুয়াল শুনানির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।