Madhya Pradesh Incident

চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন, কিন্তু বাস্তবে হাসপাতালই নেই! ছয় বছর ধরে ‘অস্তিত্ব’ শুধু খাতায়-কলমে

মধ্যপ্রদেশের ইনদওরের খাজরানায় ২০২০ সালে একটি হাসপাতাল তৈরির অনুমোদন পায়। তার পরে ছ’বছর সময় কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও কোনও হাসপাতালই তৈরি হয়নি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬ ২৩:০৯
Inside story of Indore\\\\\\\\\\\\\\\'s hospital, which exists only on documents

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

চিকিৎসক, নার্স রয়েছেন, এমনকি বেশ কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মীও কর্মরত হাসপাতালে। এমনকি ওই হাসপাতালে বদলির নির্দেশও জারি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সেই হাসপাতালের কোনও অস্তিত্বই নেই। তার অস্তিত্ব শুধু খাতায়-কলমে!

Advertisement

মধ্যপ্রদেশের ইনদওরের খাজরানায় ২০২০ সালে একটি হাসপাতাল তৈরির অনুমোদন পায়। তার পরে ছ’বছর সময় কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও কোনও হাসপাতালই তৈরি হয়নি। কিন্তু ওই সরকারি হাসপাতালের জন্য চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এমনকি প্রয়োজনে বদলির আদেশ জারি করা হয়। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৫ জুন ওই হাসপাতালে একটি বদলির আদেশ জারি করা হয়েছিল। সেই আদেশপত্রে একজন ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ানের বদলির কথা রয়েছে। যদিও তিনি কোনও দিন কাজই করেননি ওই হাসপাতালে। কাজ করা সম্ভবও ছিল না। কারণ, হাসপাতালটিই তো নেই বাস্তবে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ২০২০ সালের ২৩ জুন মধ্যপ্রদেশ সরকার খাজরানায় একটি ১০০ শয্যার হাসপাতাল তৈরিতে অনুমোদন দেয়। মনে করা হয়েছিল, এই হাসপাতাল তৈরি হলে শুধু খাজরানার বাসিন্দারা নন, আশপাশের অনেক জায়গার মানুষ চিকিৎসা পাবেন। তিন লক্ষের বেশি মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যে এই হাসপাতাল তৈরি করতে চেয়েছিল সরকার।

শুধু হাসপাতাল তৈরির অনুমোদন নয়, চিকিৎসক, মেডিক্যাল অফিসার, নার্স, ফার্মাসিস্ট, ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান-সহ ৮৭টি পদও মঞ্জুর করেছিল সরকার। তাতে নিয়োগের কথাও জানানো হয়। কিন্তু এত কিছুর পরেও ছ’বছরের বেশি সময় ওই হাসপাতালটি শুধুমাত্র সরকারি নথিপত্রের মধ্যেই আটকা পড়ে রয়েছে। অভিযোগ, জমি বরাদ্দ না-হওয়ায় হাসপাতালটি তৈরি হতে পারেনি।

হাসপাতাল ভবন না-থাকা সত্ত্বেও সরকারি পোর্টালে সেটি রয়েছে। বদলি বা নিয়োগ এমন ভাবে করা হচ্ছে, যেন ওই হাসপাতাল সচল। অথচ নিয়োগ হওয়া কর্মী, চিকিৎসকেরা অন্যত্র কর্মরত। হাসপাতাল তৈরি না-হওয়ার কথা মানছেন মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী। স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেন্দ্র শুক্ল বলেন, ‘‘সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মূল প্রস্তাবটি পরিবর্তিত হয়েছে। তবে উপযুক্ত জমি না-থাকায় নির্মাণকাজ শুরু করা যায়নি।’’

Advertisement
আরও পড়ুন