বৈভব সূর্যবংশী। ছবি: সমাজমাধ্যম।
আয়ারল্যান্ড সফরের পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও খেলানো হয়নি বৈভব সূর্যবংশীকে। সঞ্জু স্যামসন টানা ব্যর্থ হওয়ার পরেও কেন বৈভবকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে ভারতীয় দল নিজেদের অবস্থানেই অনড়। শনিবার দ্বিতীয় ম্যাচেও বৈভবের অভিষেকের সম্ভাবনা নেই। তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন বোলিং কোচ মর্নি মর্কেল।
বৈভবকে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মর্কেল বলেন, “ওকে না খেলানোর খুব বেশি কারণ নেই। তবে এটাও দেখতে হবে যে আমাদের দলে বিশ্বের এক নম্বর টি-টোয়েন্টি ব্যাটার অভিষেক শর্মা রয়েছে। সঞ্জু বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার ছিল। আইপিএলেও ভাল খেলেছে। কোচিং স্টাফের সদস্য হিসাবে ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়ানো এবং বিশ্বাস রাখাই আমার কাজ। জানি যে একজন তরুণ ক্রিকেটার দরজা ধাক্কাচ্ছে। কিন্তু দুই ওপেনারের জন্য ওকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না এমনটা নয়। দলেও এখন কাউকে বসানোর জায়গা নেই।”
বৈভবকে দলে নেওয়া হলেও খেলানো যে এতটা সহজ নয়, সেটা পরিষ্কার করেছেন মর্কেল। ফলে ইংল্যান্ড সিরিজ়ে আদৌ বৈভব সুযোগ পাবে কি না সেটা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। মর্কেলের কথায়, “দিনের শেষে পারফরম্যান্সই শেষ কথা। আমরা চাই না কোনও ক্রিকেটার অন্য পজিশনে খেলুক। চলো খেলিয়ে দিই, ব্যাপারটা মোটেই এ রকম নয়। যারা বিশ্বকাপ জিতেছে এবং কঠিন পরিস্থিতিতে ভাল খেলেছে, নিজেদের খেলাকে আরও উন্নতি করে টপ অর্ডারকে আরও শক্তিশালী করেছে, তাদের পাশে থাকা খুব দরকার।”
সুযোগ না পেলেও বৈভবের প্রস্তুতিতে খামতি নেই। মর্কেল জানিয়েছেন, অনুশীলনে বৈভবকে দেখে বাকি ক্রিকেটারেরাও মুগ্ধ। বোলিং কোচের কথায়, “দারুণ ভাবে দলের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে। যদি সমাজমাধ্যম দেখেন, তা হলে বৈভবের অনেক ছবি দেখতে পাবেন। যে ভাবে বাকিরা ওকে অভ্যর্থনা জানিয়েছে তা খুবই ভাল ব্যাপার। ১৫ বছরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা সহজ নয়। যে দুটো সেশন আমরা অনুশীলন করেছি সেখানে বৈভবকে দেখে খুবই ভাল লেগেছে। দেখা যাক কবে ওকে সুযোগ দেওয়া যায়।”
এ দিকে, শনিবারের ম্যাচে ইংল্যান্ড দলে প্রত্যাবর্তন হচ্ছে জফ্রা আর্চারের। তাঁকে প্রথম একাদশে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হচ্ছে জশ টংয়ের। বাদ পড়ছেন সাকিব মাহমুদ এবং লুক উড।