Beldanga Unrest

বেলডাঙায় তল্লাশি অভিযান এনআইএর! আটক শওকত, অশান্তির ঘটনায় মুক্তি পেয়েছিলেন জামিনে

শুক্রবার দুপুরে বেলডাঙা থানায় পৌঁছোয় এনআইএ-র একটি বিশেষ দল। সেখান থেকে বেরিয়ে আধিকারিকেরা প্রথমে যান বড়ুয়া মোড়ে। এর পরেই তাঁরা হাজির হন মেদেরধার গ্রামে শওকতের বাড়িতে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬ ২৩:১৫
বেলডাঙায় অশান্তির ঘটনায় তদন্ত করছে এনআইএ।

বেলডাঙায় অশান্তির ঘটনায় তদন্ত করছে এনআইএ। — ফাইল চিত্র।

বেলডাঙায় পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে যে অশান্তির ঘটনা হয়েছিল, সেই মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। সেই শওকত আলি আলবেনিকে এ বার আটক করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। শুক্রবার বিকেলে বেলডাঙার কুমারপুর সুজাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মেদেরধার গ্রামে শওকতের বাড়িতে অতর্কিতে হানা দেয় এনআইএ। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে চলে তল্লাশি। তার পরেই শওকতকে আটক করে বেলডাঙা থানায় নিয়ে যান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। কেন তাঁকে আটক করা হল, সেই বিষয়ে কিছু জানায়নি এনআইএ বা স্থানীয় পুলিশ।

Advertisement

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে বেলডাঙা থানায় পৌঁছোয় এনআইএ-র একটি বিশেষ দল। সেখান থেকে বেরিয়ে আধিকারিকেরা প্রথমে যান বড়ুয়া মোড়ে। এর পরেই তাঁরা হাজির হন মেদেরধার গ্রামে শওকতের বাড়িতে। সেই সময় শওকত নিজের বাড়িতেই উপস্থিত ছিলেন। বাড়িতে ঢুকেই চারদিক ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু করেন আধিকারিকেরা। আধ ঘণ্টার অভিযানে বেশ কিছু সূত্র মেলার পরেই শওকতকে আটক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে খবর।

গত ১৬ জানুয়ারি এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অশান্ত হয়ে ওঠে বেলডাঙা। পরের দিন, অর্থাৎ ১৭ জানুয়ারি ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে শুরু হয় বিক্ষোভ। ভাঙচুর চালানো হয় একের পর এক দোকান ও ঘরবাড়িতে। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার রেললাইন অবরোধ করায় দীর্ঘক্ষণ স্তব্ধ হয়ে পড়ে ট্রেন চলাচল। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। পরবর্তীকালে এই হিংসার তদন্তভার হাতে নেয় এনআইএ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এখনও পর্যন্ত ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যদিও তাদের মধ্যে বেশ কয়েক জন ইতিমধ্যেই আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন।

Advertisement
আরও পড়ুন