Ketan Agarwal Murder Case

মৃত্যু হল কেতনের দাদুর! নাতির হত্যাকাণ্ডের পরই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, বিচার চেয়ে পথেও নামেন দেবীচাঁদ

পরিবারের সদস্যেরা জানিয়েছেন, কেতনের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন দেবীচাঁদ। তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছিল। কেতনের মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকেই মানসিক ভাবেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬ ১০:১৭
কেতন অগ্রবাল। ফাইল চিত্র।

কেতন অগ্রবাল। ফাইল চিত্র।

পুণের ব্যবসায়ীপুত্র কেতন অগ্রবালের হত্যাকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই অগ্রবাল পরিবারের আরও এক সদস্যের মৃত্যু হল। শনিবার রাত পৌনে ১০টা নাগাদ মৃত্যু হয় কেতনের ঠাকুরদা দেবীচাঁদের। পরিবারের দাবি, কেতনের হত্যাকাণ্ডের পরই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বছর একাত্তরের বৃদ্ধ। তাঁকে পুণের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল সম্প্রতি। সেখানেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর।

Advertisement

পরিবারের সদস্যেরা জানিয়েছেন, কেতনের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন দেবীচাঁদ। তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছিল। কেতনের মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকেই মানসিক ভাবেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন দেবীচাঁদ। পরিবারের সদস্যদের দাবি, নাতির মৃত্যুর শোক সহ্য করতে পারেননি বৃদ্ধ। কেতন খুন হন গত ১৮ জুন। তাঁকে খুনের অভিযোগ ওঠে সিয়া গোয়ল এবং তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধরীর বিরুদ্ধে। নাতির খুনের বিচার চেয়ে গত ২৭ জুন অসুস্থ শরীরেই প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন দেবীচাঁদ।

ওই প্রতিবাদ মিছিল থেকে সিয়া এবং চেতনের ফাঁসির দাবি জানান। কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলেন, ‘‘আমার একমাত্র ভরসা ছিল কেতন। এ ভাবে ওকে খুন করা হল। বৃদ্ধ বয়সে আমার একমাত্র সহায়কে কেড়ে নেওয়া হল।’’ সিয়াদের পরিবারের সঙ্গে তাঁদের পরিবারের কী ধরনের এবং কত বছরের সম্পর্ক রয়েছে সে কথাও তুলে ধরেছিলেন দেবীচাঁদ। তিনি বলেছিলেন, ‘‘আমার সিয়াদের পরিবারকে ৩৫ বছর ধরে চিনি এবং জানি। কী ভাবে আমার নাতির সঙ্গে এমনটা করতে পারল ওরা! সিয়ার পরিবারের লোকেরা সকলেই ওর প্রেমের সম্পর্কের কথা জানতেন। কিন্তু তার পরেও ওর কাকিমা এই বিয়ের জন্য জোরাজুরি করেন। আমাদের বার বার আশ্বস্ত করেছিলেন যে, সিয়া যথেষ্ট ভাল মেয়ে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন