Droupadi Murmu

দ্রৌপদী-বিতর্ক: রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে রাজনীতি নয়! বার্তা দিয়েও পশ্চিমবঙ্গের ঘটনাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বললেন মায়াবতী

রবিবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে মায়াবতী এক দিকে যেমন রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে রাজনীতি না-করার বার্তা দিয়েছেন, তেমনই পশ্চিমবঙ্গের ঘটনাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৮ মার্চ ২০২৬ ১৭:৪০
(বাঁ দিকে) দ্রৌপদী মুর্মু এবং মায়াবতী (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) দ্রৌপদী মুর্মু এবং মায়াবতী (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

রাষ্ট্রপতির ‘অপমান’-বিতর্কে এ বার মুখ খুললেন বহুজন সমাজ পার্টি (বিএসপি)-র নেত্রী তথা উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী। রবিবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে তিনি এক দিকে যেমন রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে রাজনীতি না-করার বার্তা দিয়েছেন, তেমনই পশ্চিমবঙ্গের ঘটনাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছেন।

Advertisement

সমাজমাধ্যমে মায়াবতী লেখেন, “ভারতের সংবিধানের আদর্শ এবং নৈতিকতা মেনে প্রত্যেকের রাষ্ট্রপতির পদকে সম্মান জানানো উচিত এবং প্রোটোকল মেনে চলা উচিত। এই পদের রাজনীতিকরণ করা উচিত নয়।” তার পরেই মায়াবতীর সংযোজন, “এখন দেশের প্রেসিডেন্ট কেবল এক জন মহিলাই নন, তিনি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে তাঁর সফর নিয়ে যা হয়েছে, তা না-হওয়াই বাঞ্ছনীয় ছিল। এটা খুবই দুঃখজনক।”

রাষ্ট্রপতি পদের রাজনীতিকরণের কথা বলতে গিয়ে লোকসভার স্পিকারের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন মায়াবতী। তিনি লিখেছেন, “গত কয়েক মাস ধরে সংসদের স্পিকার পদের রাজনীতিকরণ করা হচ্ছে। এটা ঠিক নয়। যদি সবাই দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে পারেন, তা হলে সম্মান এবং শ্রদ্ধা পাবেন।”

দলিত নেত্রী মায়াবতীর রাজনৈতিক ভিত্তি বহুজন সমাজই। তাঁর এই রাজনৈতিক অবস্থানের নিরিখে আদিবাসী সম্প্রদায়ের রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে তাঁর মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে শাসক বা বিরোধী— কোনও জোটেরই শরিক নন মায়াবতী। তবে যে ভাবে তিনি সাংবিধানিক পদের রাজনীতিকরণ নিয়ে সরব হয়েছেন, তাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।

Advertisement
আরও পড়ুন