মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। ফাইল চিত্র।
সংসদের চলতি অধিবেশনের বাকি আর মাত্র দু’টি দিন। তার পরই ভোটের ঘণ্টা পুরোপুরি বেজে যাবে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলিতে। এখনও পর্যন্ত সংসদের দুই কক্ষে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর প্রস্তাব সংক্রান্ত নোটিস জমা দেওয়া নিয়ে উচ্চবাচ্য করেননি লোকসভার স্পিকার বা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান। ওই নোটিসের প্রাপ্তিস্বীকারটুকুও করেননি বলে অভিযোগ তৃণমূল-সহ বিরোধীদের।
আজ বিষয়টি রাজ্যসভায় তুলেছেন কংগ্রেস সাংসদ তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। তাঁর প্রশ্ন, কেন ১৯ দিন পরেও এই নোটিসের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংসদকে অন্ধকারে রাখা হয়েছে। তাঁর কথায়, “গত ১২ মার্চ, আজ থেকে ঠিক ১৯ দিন আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের জন্য একটি নোটিস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সভার পক্ষ থেকে এখনও সংসদকে জানানো হয়নি যে, সেই নোটিসটি গ্রহণ করা হয়েছে না কি তা বিবেচনাধীন রয়েছে। আমাদের কাছে কোনও তথ্য নেই। ১৯ দিন কেটে গেল!”
পরে তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন কড়া ভাষায় জানিয়েছেন, “গুজরাতের দুই মহান ব্যক্তি, এখন যাঁরা দিল্লিতে থাকেন, তাঁরা মরিয়া হয়ে গিয়েছেন। এসআইআর দিয়ে পিষে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বাংলার ভোটারদের। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ন্ত্রণ করছেন। নির্বাচিত একটি রাজ্য সরকারকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। যত চেষ্টাই করুন না কেন ৪ মে বাংলার মানুষ আবারও সেই সরলপ্রাণ নারীর উপরেই নিজেদের আস্থার পরিচয় দেবে। ওঁরাও জন্মের মতো শিক্ষা পাবেন। শুধু একটু অপেক্ষা করতে হবে।”