উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় বাসিন্দা মনিকা নাগার। ছবি: সংগৃহীত।
২২ বছর বয়সি এক নববধূর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য দানা বেঁধেছে। উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় বাসিন্দা মনিকা নাগার নামে ওই যুবতীর দেহ উদ্ধার হয়। কী ভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে মৃতার পরিবারের অভিযোগ, মনিকা স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকেরা খুন করেছেন। নেপথ্যে সম্পত্তি বিবাদ।
গ্রেটার নয়ডার অনুজ চৌহন নামে এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মনিকার। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি কোর্ট ম্যারেজ করেন তাঁরা। অভিযোগ, তার পর থেকেই না কি মনিকার উপর নানা ভাবে অত্যাচার করতেন অনুজ এবং তাঁর পরিবারের লোকেরা। মনিকার বাপের বাড়ির অভিযোগ, টাকা এবং সম্পত্তির জন্য তাদের মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন অনুজ। মনিকার নামে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি। বিয়ের পর পরই সেই সম্পত্তি অনুজ এবং তাঁর পরিবারের নামে লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হত মনিকার উপর।
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টো নাগাদ মনিকা ফোন করেছিলেন তাঁর বাপের বাড়িতে। পরিবারের দাবি, ফোনে তিনি জানিয়েছিলেন অনুজেরা তাঁর উপর অত্যাচার করছেন। হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন। যদি মনিকা তাঁর সম্পত্তি হস্তান্তর না-করে তবে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। সেই ফোন পাওয়ার পরই বিপদ বুঝে মনিকার মা মেয়ের শ্বশুরবাড়ি যান। রাত ৮টায় যখন তিনি পৌঁছোন দেখেন বাড়ির সামনে লোকারণ্য। মনিকার ভাইয়ের দাবি, ভিড়ের মধ্যে তাঁর মা দেখে দিদির দেহ একটি গাড়িতে তোলা হচ্ছে। তার পরে তিনিও ওই গাড়ি অনুসরণ করে হাসপাতালে যান। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে মনিকাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর পরই পুলিশকে খবর দেওয়া হয় বলে জানায় মনিকার পরিবার। তাদের দাবি, এক ঘণ্টা পর পুলিশ তাদের জানায় মনিকার দেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। পুলিশ গিয়ে দেহাংশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। অভিযুক্তেরা সকলেই পলাতক।