মন্ত্রীসভার বৈঠকে নরেন্দ্র মোদী। ছবি: পিটিআই।
বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে ইরান যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব থেকে নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৈঠকের পরে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘বৈঠকে জ্বালানি, কৃষি, সার, বিমান চলাচল, শিপিং (জাহাজ চলাচল) এবং লজিস্টিক্সের (পরিকাঠামোগত সহায়তা) মতো বিভিন্ন বিভাগ সম্পর্কিত বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে’।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গত বুধবার সর্বদল বৈঠক করেছিল কেন্দ্র। কিন্তু তাতে হাজির ছিলেন না প্রধানমন্ত্রী। গত শুক্রবার অবশ্য বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নিয়ে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছিলেন তিনি। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ— পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাতের প্রভাব থেকে নাগরিকদের সুরক্ষিত রাখতে সম্ভাব্য সব রকম প্রচেষ্টা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর (পিএমও) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বৈঠকে ক্যাবিনেট সচিব দেশজুড়ে এলপিজি এবং এলএনজি-র সরবরাহ নিশ্চিত করতে নেওয়া পদক্ষেপগুলি সম্পর্কে অবহিত করেন।
বিভিন্ন দেশ থেকে নতুন সরবরাহ এনে এলপিজি এবং এলএনজি সংগ্রহের উৎস বিস্তৃত করা হচ্ছে। পিএনসি (পাইপবাহিত প্রাকৃতিক গ্যাস) সংযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে বৈঠকে। পিএমও জানিয়েছে, প্রতিদিনের নজরদারি, অভিযান এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে কালোবাজারি, মজুতদারি এবং সারের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া রোধ করতে রাজ্য সরকারগুলিকে অনুরোধ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘জ্বালানি, সার এবং অন্যান্য সরবরাহ শৃঙ্খলের জন্য আমাদের উৎসগুলিতে বৈচিত্র্যময় করার প্রচেষ্টা, হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে জাহাজগুলির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক উদ্যোগ এবং ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সমস্ত দফতরকে যুদ্ধ পরিস্থিতির ক্ষত নিরাময়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।’’