India-Israel Relationship

‘ইজ়রায়েলের মতোই ভারতেও সন্ত্রাসে জ়িরো টলারেন্স’! দাবি মোদীর, পেলেন সে দেশের পার্লামেন্টের সর্বোচ্চ সম্মান

বুধবার প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ‘স্পিকার অফ দ্য নেসেট মেডেল’ সম্মাননা প্রদান করা হয়। তিনিই প্রথম ভারতীয় যিনি ইজ়রায়েলি পার্লামেন্টের সর্বোচ্চ সম্মাননা পেলেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:২৩
(বাঁ দিকে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (ডান দিকে)। ছবি: পিটিআই।

গাজ়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক উদ্যোগের পাশে থাকবে ভারত। বুধবার ইজ়রায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে বক্তৃতায় এ কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ‘‘শান্তির পথ সহজ নয়। কিন্তু এই অঞ্চলে শান্তি ফেরানোর উদ্যোগের পাশে রয়েছে ভারত। আন্তর্জাতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমেই দীর্ঘমেয়াদি শান্তি স্থাপন করা সম্ভব।”

Advertisement

সেই সঙ্গে ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর ঘোষণা, ‘‘ইজ়রায়েলের মতোই ভারতও সন্ত্রাসবাদের ক্ষেত্রে ‘জ়িরো টলারেন্স’ (শূন্য সহনশীলতা) নীতির অনুসারী। কোথাও যদি সন্ত্রাস হয় তবে সর্বত্রই শান্তি বিঘ্নিত হয়।’’ ভারত-ইজ়রায়েল কৌশলগত সম্পর্ক নিবিড় করতে ব্যতিক্রমী অবদানের স্বীকৃতিতে বুধবার প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ‘স্পিকার অফ দ্য নেসেট মেডেল’ সম্মাননা প্রদান করা হয়। নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা বুধবার মোদীর বক্তৃতায় পরে তাঁকে ওই সম্মাননায় ভূষিত করেন।

মোদীই প্রথম ভারতীয় রাষ্ট্রনেতা যিনি ‘স্পিকার অফ দ্য নেসেট মেডেল’ পেলেন। এর আগে ২০১৮ সালে মোদী প্যালেস্টাইনের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘গ্র্যান্ড কলার অফ দ্য স্টেট অফ প্যালেস্টাইন’ পেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রিত্বের দ্বিতীয় ইজ়রায়েল সফরে বুধবার মোদী বৈঠক করছেন নেতানিয়াহুর সঙ্গে। সেখানেও গাজ়া প্রসঙ্গ এসেছে বলে বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর। ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী প্যালেস্টাইনি ভূখণ্ডে শান্তি ফেরানোর উদ্দেশ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিসের বৈঠকে পর্যবেক্ষক হিসাবে ইতিমধ্যেই যোগ দিয়েছে ভারত।

নেসেটের বক্তৃতায় গাজ়ায় শান্তি উদ্যোগ সমর্থনের পাশাপাশি ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর প্যালেস্টাইন জঙ্গিগোষ্ঠী হামাসের হামলারও নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘সন্ত্রাসবাদী হামলায় যাঁরা প্রিয়জনদের হারিয়েছেন তাঁদের প্রতি ভারতের গভীর সমবেদনা রয়েছে।’’ এর পরেই তিনি টেনে এনেছেন মুম্বইয়ে ২৬/১১ সন্ত্রাসের প্রসঙ্গ। পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদীরা কী ভাবে ভারতীয়দের পাশাপাশি দক্ষিণ মুম্বাইয়ের নারিম্যান হাউসে (যা ছাবাদ হাউস নামেও পরিচিত) হামলা চালিয়ে ছ’জন ইজ়রায়েলি ইহুদিকে খুন করেছিল সে প্রসঙ্গও এসেছে তাঁর বক্তৃতায়।

Advertisement
আরও পড়ুন