CPIM-ISF

বিমানদের সঙ্গে নওশাদদের আসন-জট বুধেও কাটল না! নমনীয় হওয়ার বার্তা দিয়েও সিদ্দিকি বোঝালেন, গড়ে অনড়

কোন কোন আসনে জট, সেই জট সিপিএমের জন্য নাকি বাম শরিকদের জন্য এ ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি নওশাদ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:২০
(বাঁ দিকে) বিমান বসু এবং নওশাদ সিদ্দিকি (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) বিমান বসু এবং নওশাদ সিদ্দিকি (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।

বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর সঙ্গে জোটের জট কাটাতে বৈঠক করেছিলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। দীর্ঘ আলোচনার পরে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে বেরিয়ে নওশাদ জানিয়েছিলেন, বুধবার ফের বৈঠক হবে। তার পর সব জটিলতা কেটে যাবে। বুধবার ফের বৈঠক হল কিন্তু জটিলতা কাটল না।

Advertisement

দীর্ঘ বৈঠকের শেষে নওশাদ আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে বেরিয়ে বুধবার রাতে বলেন, ‘‘আমরা বলেছিলাম আজকে মিটে যাবে কিন্তু এখনও কিছু জায়গায় আলোচনা বাকি। আশা করছি কয়েক দিনের মধ্যেই সবটা ঠিক হয়ে যাবে।’’ কোন কোন আসনে জট, তা সিপিএমের জন্য না কি বাম শরিকদের জন্য এ ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি নওশাদ। তবে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট সূত্রে খবর,দক্ষিণবঙ্গের গোটা আটেক আসন নিয়ে এখনও জট রয়েছে। যার অধিকাংশই বাম শরিকদের।

নওশাদ স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তাঁর দল আইএসএফ নমনীয় কিন্তু তাঁদের দলের যে গড়ের আসন, যেখানে তাঁদের মজবুত সংগঠন রয়েছে, সেই আসন তাঁরা ছাড়বেন না। আলিমুদ্দিনের উঠোনে দাঁড়িয়ে নওশাদ বার্তা দিয়েছেন, তিনি একই সঙ্গে নমনীয় আবার অনড়ও।

সূত্রের খবর, নওশাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল হুমায়ুন কবীরের দল জনতা উন্নয়ন পার্টি। সেই প্রশ্নের জবাবে নওশাদ বলেন, ‘‘যারা আমাদের জোটে আসার আহ্বান জানিয়েছে তাদের সঙ্গে বামেদের সেতু বন্ধন করার চেষ্টা করছি।’’

পাঁচ বছর আগের বিধানসভা নির্বাচনে আইএসএফের সঙ্গে বেশ কিছু আসনে বাম শরিকদের ‘বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই’ হয়েছিল কিন্তু এ বার নওশাদরা সে সব চান না। ফলে চাপ পড়েছে প্রবীণ বিমান বসুর উপর। এখন দেখার বামেদের সঙ্গে আইএসএফের সমঝোতা ১০০ শতাংশ কার্যকর হয় কি না।

তবে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গের গোটা আটেক আসন নিয়ে এখনও জট রয়েছে। যার অধিকাংশই বাম শরিকদের।

Advertisement
আরও পড়ুন