Online Rail Ticket Reservation

তিন কোটির বেশি সন্দেহজনক ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করেছে রেল! টিকিট জালিয়াতি রুখতে আর কী পদক্ষেপ?

রেলের টিকিট কাটায় নানা অনিয়মের অভিযোগ নতুন নয়। অভিযোগ, সংরক্ষিত টিকিটের ক্ষেত্রে বুকিং শুরুর সঙ্গে সঙ্গে এজেন্টরা একসঙ্গে অনেকগুলি টিকিট কেটে রাখেন। পরে তা মোটা অঙ্কের বিনিময়ে যাত্রীদের কাছে বিক্রি করেন। আইআরসিটিসিতে একাধিক ভুয়ো ইউজ়ার আইডি তৈরি করে টিকিটের কালোবাজারি করার অভিযোগও রয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:৩৬

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

দূরপাল্লা ট্রেনের টিকিট কাটতে আধারকার্ড বাধ্যতামূলক। শুধু তা-ই নয়, টিকিটের কালোবাজারি রুখতে আরও কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে রেল। জোর দেওয়া হয়েছে সাইবার নিরাপত্তার উপরে। তাতে বাস্তবে টিকিটের জালিয়াতি রুখতে অনেকটাই কার্যকর হয়েছে রেল, এমনই জানালেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানান, ২০২৫ সালে তিন কোটির বেশি সন্দেহভাজন ব্যবহারকারীর আইডি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

Advertisement

টিকিট কাটায় নানা অনিয়মের অভিযোগ নতুন নয়। অভিযোগ, অনলাইনে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার পরেই চোখের পলকে শেষ হয়ে যায় টিকিট। কাউন্টার থেকে টিকিট কাটতে গিয়েও খালি হাতে ফিরতে হয় অনেককেই। অথচ একই টিকিট চড়া দামে কাটা যায় এজেন্টদের কাছ থেকে। অভিযোগ, বুকিং শুরুর সঙ্গে সঙ্গে এজেন্টরা একসঙ্গে অনেকগুলি টিকিট কেটে রাখেন। পরে তা মোটা অঙ্কের বিনিময়ে যাত্রীদের কাছে বিক্রি করেন। আইআরসিটিসিতে একাধিক ভুয়ো ইউজ়ার আইডি তৈরি করে টিকিটের কালোবাজারি করার অভিযোগও রয়েছে।

সেই বিষয় নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করে রেল। তৎকাল বুকিংয়ের ক্ষেত্রে আধার কার্ড বাধ্যতামূলক করে। এ ছাড়াও, বুকিং সিস্টেমে যে কোনও ধরনের আক্রমণ (হ্যাকিং) আটকাতে নানা ধরনের, নানা স্তরের সাইবার সুরক্ষার ব্যবস্থাও করা হয়। টিকিট কাটার সময় গ্রাহককে বিভিন্ন স্তরে প্রমাণ দিতে হয়, তিনি রোবট বা কম্পিউটার নন! পাশাপাশি, অনলাইন টিকিট বুকিং ওয়েবসাইট সিস্টেমে সরাসরি ট্রাফিক কমানোর পন্থাও নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলি সবর্দা পর্যবেক্ষণ করার জন্যও ব্যবস্থা রয়েছে।

এই সব নানা বিষয়ের কারণে টিকিটের জালিয়াতি কমানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি রেল মন্ত্রকের। সংসদে এই সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী জানান, ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে যাচাইকরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এই কাজ চলবে। ২০২৫ সালে তিন কোটির বেশি সন্দেহজনক আইডি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। আরও জানানো হয়েছে, জাতীয় সাইবার অপরাধ পোর্টালে ৩.৯৯ লক্ষ সন্দেহজনক বুকিং সম্পর্কিত ৩৭৬টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ‘ব্লক’ করা হয়েছে ১২,৮১৯টি সন্দেহজনক ইমেল ডোমেন।

Advertisement
আরও পড়ুন