Ayatollah Khamenei’s funeral

খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে যোগ দেওয়ার জন্য মোদীকে আমন্ত্রণ ইরানের, কোথায় সমাহিত করা হবে নিহত নেতাকে?

আয়াতোল্লার শেষকৃত্য-পর্বে হাজির থাকার জন্য ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজ়েশকিয়ান প্রধানমন্ত্রী মোদীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বলে সরকারি সূত্র উদ্ধৃত করে প্রকাশিত একটি খবরে দাবি করা হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ ১৬:৫১
Report says, Iran President Masoud Pezeshkian invites PM Narendra Modi to attend funeral for Ayatollah Ali Khamenei

(বাঁদিক থেকে) নরেন্দ্র মোদী, আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এবং মাসুদ পেজ়েসকিয়ান। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

মৃত্যুর চার মাস পরে নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্য রাষ্ট্র্রীয় মর্যাদায় করতে চলেছে ইরান। আর সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তেহরান আমন্ত্রণ জানিয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর। আগামী ৪ জুলাই নিহত সর্বোচ্চ নেতার শেষকৃত্যের ধর্মীয় প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। আয়াতোল্লাকে সমাহিত করা হবে আগামী ৯ জুলাই, তাঁর নিজের শহর মাশহাদে।

Advertisement

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান আয়াতোল্লার শেষকৃত্য-পর্বে হাজির থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদীকে অনুরোধ জানিয়েছেন বলে সরকারি সূত্র উদ্ধৃত করে প্রকাশিত একটি খবরে দাবি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করেছিল পেন্টাগন। সে দিনই নিহত হয়েছিলেন খামেনেই। সে সময়ই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল তাঁকে ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশহাদে সমাহিত করা হবে। ওই হামলায় ইরানের বেশ কয়েক জন উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিকও নিহত হন। তাঁদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হলেও তিন দশক ধরে ইরানের ক্ষমতায় থাকা আয়াতোল্লাকে সমাহিত করা হয়নি।

আয়াতোল্লার শেষকৃত্যে এই বিলম্ব ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তাঁর পুত্র মোজ়তবা খামেনেইকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনিও মার্কিন হামলায় গুরুতর জখম হন। খামেনেইয়ের দেহ কোথায়, কী অবস্থায় রয়েছে সে বিষয়েও কোনও তথ্যও প্রকাশ্যে আসেনি। এখনও জনসমক্ষে আসেননি মোজ়তবাও। ইরানের এক সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, নতুন সর্বোচ্চ নেতার নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ এবং ক্ষমতা হস্তান্তর-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি এই বিলম্বের প্রধান কারণ।

বস্তুত, খামেনেইয়ের স্তরের এক জন সর্বোচ্চ নেতার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ধর্মীয় অনুষ্ঠানের পাশাপাশি রাজনৈতিক সমাবেশও। ইরানে ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি আমেরিকান ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন কমান্ডার কাসেম সোলেমানি। ৪ থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ইরানের বিভিন্ন শহরে চলেছিল শোকযাত্রা। লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশ দেখা গিয়েছিল সেখানে। ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই ধরনের সমাবেশ মোজ়তবা, পেজ়েশকিয়ান-সহ অন্য নেতাদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠতে পারে বলে শঙ্কা ছিল। আমেরিকার সঙ্গে প্রাথমিক যুদ্ধবিরতির পরে গত ১৩ জুন আয়াতোল্লার শেষকৃত্যের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছিল তেহরান। সে সময় তা ইঙ্গিতবাহী বলেই মনে করা হচ্ছিল। ঘটনাচক্রে, ১৭ জুনই যুদ্ধবিরতি সমঝোতা সংক্রান্ত মউ সই করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পেজ়েশকিয়ান।

Advertisement
আরও পড়ুন