বিহারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি। —ফাইল চিত্র।
বিহারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন সম্রাট চৌধরি। বুধবার বেলা ১১টা নাগাদ পটনার রাজভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান সে রাজ্যের রাজ্যপাল সৈয়দ আটা হাসনাইন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিহারের শাসকজোটের দুই বৃহত্তম শরিক বিজেপি এবং জেডিইউ-র নেতারা। প্রসঙ্গত, এই প্রথম বিহারে বিজেপির কেউ মুখ্যমন্ত্রী হলেন।
মাঝের কিছু সময় বাদ দিলে দু’দশকেরও বেশি সময় বিহারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন প্রবীণ জেডিইউ নেতা নীতীশ কুমার। সম্রাট মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ায় দীর্ঘ নীতীশ জমানার অবসান হল। গত ৫ মার্চ নিজেই প্রথমে সমাজমাধ্যমে তাঁর আগামী রাজনৈতিক জীবনের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিলেন নীতীশ। গত ১০ এপ্রিল রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে শপথগ্রহণ করেন তিনি। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছিলেন নীতীশ। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মঙ্গলবারই মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে শেষ বারের মতো বৈঠক করেন তিনি। তার পরেই রাজভবনে গিয়ে ইস্তফা দেন নীতীশ।
গত কয়েক বছর ধরেই শারীরিক ভাবে অসুস্থ নীতীশ। সেই কারণেই তিনি শপথ নেওয়ার মাস ছয়েকের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন কি না, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। জেডিইউ নেতৃত্বের দাবি, নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকুন বা না থাকুন বিহারের অগ্রগতির প্রতি তিনি সবসময়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জেডিইউ-র কার্যনির্বাহী সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয়কুমার ঝা বলেন, ‘‘বিহারের ক্ষেত্রে আমরা এনডিএ-র সমর্থনে নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে গত বিধানসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। নতুন সরকার নীতীশজির নীতিগুলি অব্যাহত রাখবে। তাঁর নির্দেশনায় কাজ করবে। তিনি মুখ্যমন্ত্রী না থাকলেও, তাঁর মনোযোগ বিহারেই থাকবে। সংসদের অধিবেশনের জন্য শুধু দিল্লি যাবেন তিনি।’’