Election Commissioners Appointing Panel

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কেন বাদ প্রধান বিচারপতি? মামলায় কেন্দ্রের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

কেন্দ্রের নতুন আইন অনুযায়ী দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের বাছাই করতে যে তিন সদস্যের প্যানেল আছে, তার সদস্য হবেন প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা মনোনীত এক জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৬ মে ২০২৬ ১৯:৫৬
SC refuses to adjourn the hearing on new law on formation of panel for appointing election commissioners

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত প্যানেলে দেশের প্রধান বিচারপতিকে রাখা হয়নি কেন্দ্রের নতুন আইনে। সেই আইনের বিরোধিতা মামলা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। কেন্দ্রের তরফে সেই মামলার শুনানিতে স্থগিতাদেশ চাওয়া হলেও বুধবার তা খারিজ করেছে শীর্ষ আদালত।

Advertisement

কেন্দ্রের নতুন আইনে বলা হয়েছে, দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের বাছাই করতে যে তিন সদস্যের প্যানেল আছে, তার সদস্য হবেন প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা মনোনীত এক জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ঔই কমিটি যে নাম কিংবা নামগুলি প্রস্তাব করবে, তাঁকে বা তাঁদের নিয়োগ করবেন দেশের রাষ্ট্রপতি। আইনে বলা হয়েছে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেবে কমিটি। বিরোধী দলগুলি অবশ্য গোড়া থেকেই এই আইনের বিরোধিতা করে জানিয়েছে, প্যানেলের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য কেন্দ্রের প্রতিনিধি হওয়ায় বাছাই প্রক্রিয়াটি একমাত্রিক হয়ে পড়বে, নিরপেক্ষ কোনও সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে না। বর্তমান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের মনোনয়নের সময় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বিরোধিতা করলেও তাঁর আপত্তি ‘সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে খারিজ’ করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, নতুন আইন প্রণয়নের আগে ২০২৩ সালের মার্চ মাসে একটি রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারকে তিন সদস্যের একটি কমিটি বেছে নেবে। কমিটিতে থাকবেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা, প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের প্রধান বিচারপতি। কিন্তু সেই রায় উপেক্ষা করতে সংসদে নতুন বিল পাশ করিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার। সেই আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা দায়ের হয় সুপ্রিম কোর্টে। কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বুধবার শুনানি মুলতুবি রাখার আবেদন জানিয়ে যুক্তি দেন, তিনি কেরালার সাবরিমালা মন্দিরে ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী মহিলাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বাতিলের বিরুদ্ধে আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করার মামলার শুনানিতে ব্যস্ত থাকবেন। কিন্তু তাঁর সেই আর্জি খারিজ করে দিয়ে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চ জানায়, আগে থেকেই শুনানির দিন নির্ধারিত ছিল। তাই তা পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।

Advertisement
আরও পড়ুন