Stray Dogs Case in Supreme Court

এত আবেদন তো মানুষের জন্যও হয় না! পথকুকুর মামলা নিয়ে মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের, বুধে সবার বক্তব্য শুনবে আদালত

গত ৭ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট স্কুল, রেলস্টেশন, হাসপাতাল চত্বর থেকে পথকুকুরদের সরানোর নির্দেশ দিয়েছিল। তিন বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছিল, নির্বীজকরণের জন্য পথকুকুরদের যে সব এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেখানে আর তাদের ফেরানো চলবে না।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:৫৫

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

আগামী বুধবার পথকুকুর মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। তার আগে বহু আবেদন জমা পড়েছে শীর্ষ আদালতে। এই প্রসঙ্গে বিচারপতি সন্দীপ মেহতা বলেন, “এমনিতে এত আবেদন তো সাধারণ মানুষের মামলাতেও জমা পড়ে না।”

Advertisement

আদালতে কোনও মামলা বিচারাধীন থাকলে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে আবেদন করে নিজেদের বক্তব্য বা আপত্তির কথা জানাতে পারে কোনও পক্ষ। আইনের পরিভাষায় একে ‘ইন্টারলোকিউটারি অ্যাপ্লিকেশন’ বলা হয়। এই ধরনের বহু আবেদন জমা পড়েছে শীর্ষ আদালতে। মঙ্গলবার এক আইনজীবী এই বিষয়ে বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি মেহতার বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। জানান, তারা একটি আবেদন করেছেন। তা শুনেই বিচারপতি মেহতা ওই মন্তব্য করেন।

বুধবার বিচারপতি নাথ, বিচারপতি মেহতা এবং বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ পথকুকুর সংক্রান্ত মামলাটি শুনবে। ওই দিন এই মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষের বক্তব্য শুনবে আদালত।

গত ৭ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট স্কুল, রেলস্টেশন, হাসপাতাল চত্বর থেকে পথকুকুরদের সরানোর নির্দেশ দিয়েছিল। তিন বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছিল, নির্বীজকরণের জন্য পথকুকুরদের যে সব এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেখানে আর তাদের ফেরানো চলবে না। আদালতের নির্দেশ‌ে নির্বীজকরণের পর পথকুকুরদের ঠাঁই হবে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রেই।

দিল্লিতে একের পর এক পথকুকুরের কামড়ের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছিল। এই পরিস্থিতিতে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা শোনে সুপ্রিম কোর্ট। প্রথমে দিল্লির রাস্তা থেকে সমস্ত পথকুকুরকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। পরে তা পরিবর্তন করে বন্ধ্যাত্বকরণে জোর দেওয়া হয়।

Advertisement
আরও পড়ুন