Saif Ali Khan

সইফের সম্পত্তি: স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

প্রয়াত হামিদুল্লা খানের মেয়ে সাজিদা সুলতান পটৌডির নবাবের খেতাব ও নবাবের ব্যক্তিগত সম্পত্তির অধিকার পান। এ নিয়ে ১৯৬২ সালে ভারত সরকার তাঁকে শংসাপত্রও দেয়। কিন্তু নবাব পরিবারের অন্য সদস্যেরা এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেন।

সংবাদ সংস্থা
শেষ আপডেট: ০৯ অগস্ট ২০২৫ ০৯:৫৭
সইফ আলি খান।

সইফ আলি খান। —ফাইল চিত্র।

পটৌডি পরিবারের কয়েক দশক পুুরনো সম্পত্তি বিবাদ নিম্ন আদালতে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে পটৌডির প্রয়াত নবাব হামিদুল্লা খানের বড় ভাইয়ের বংশধর ওমর ফারুক আলি ও রশিদ আলির আবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট অন্য সব পক্ষকে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি পি এস নরসিমহা ও বিচারপতি অতুল চন্দুরকারের বেঞ্চ। মামলায় অং‌শগ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছেন সইফ আলি খান।

প্রয়াত হামিদুল্লা খানের মেয়ে সাজিদা সুলতান পটৌডির নবাবের খেতাব ও নবাবের ব্যক্তিগত সম্পত্তির অধিকার পান। এ নিয়ে ১৯৬২ সালে ভারত সরকার তাঁকে শংসাপত্রও দেয়।

কিন্তু নবাব পরিবারের অন্য সদস্যেরা এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেন। নিম্ন আদালতে আর্জিতে তাঁরা জানান, নবাবের ব্যক্তিগত সম্পত্তি মুসলিম ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী ভাগ হওয়া উচিত।

নিম্ন আদালত ২০০০ সালে সাজিদা সুলতান, তাঁর ছেলে প্রয়াত মনসুর আলি খান এবং তাঁদের আইনসম্মত উত্তরাধিকারী সইফ আলি খান, সোহা আলি খান, সাবা সুলতান ও শর্মিলা ঠাকুরের পক্ষে রায় দেয়। এর পরে মামলা আসে মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টে।

হাই কোর্ট জানায়, নিম্ন আদালত ইলাহাবাদ হাই কোর্টের একটি রায়ের উপরে ভিত্তি করে ওই রায় দিয়েছে। কিন্তু সে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিয়ে হাই কোর্ট মামলাটি ফের নিম্ন আদালতে ফেরত পাঠায়।

হাই কোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ওমর ফারুক আলি ও রশিদ আলি। তাঁদের আইনজীবী দেবদত্ত কামাথ বলেন, যে ভাবে হাই কোর্ট মামলাটি নিম্ন আদালতে ফেরত পাঠিয়েছে তা দেওয়ানি কার্যবিধির বিরোধী।

আরও পড়ুন