—প্রতীকী চিত্র।
নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল দিল্লিতে। মধ্য দিল্লির ট্রাফিক সিগন্যালে গোলাপ বিক্রি করত দশ বছরের এক নাবালিকা। অভিযোগ, তাকে অপহরণ করে একটি জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণে করেন এক ই-রিকশা চালক। এর পরে নির্যাতিতাকে অচৈতন্য অবস্থায় ফেলে রেখে চম্পট দেন অভিযুক্ত। পুলিশ সূত্রে খবর, বিভিন্ন রাস্তার অন্তত ৩০০টি সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে একটি লাল রঙের রিকশা শনাক্ত করার পরে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তি উত্তরপ্রদেশের ফারুকাবাদের বাসিন্দা।
সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, গত ১০ জানুয়ারি প্রসাদ নগরে রিকশা থেকে যাত্রীদের নামানোর পরে নাবালিকাকে গোলাপ বিক্রি করতে দেখতে পান অভিযুক্ত। এর পরে বিলকাপুর নামক একটি জায়াগায় চা খাওয়ানোর নাম করে নাবালিকাকে নিয়ে যান তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, নির্যাতিতা জানিয়েছে, অভিযুক্ত তাকে জঙ্গলে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি ঘরে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এর পরে রক্তাক্ত ও অচৈতন্য আবস্থায় থাকা নাবালিকাকে মৃত ভেবে সেখানে থেকে চম্পট দেন অভিযুক্ত। পরে জ্ঞান ফিরলে সে কোনও মতে বাড়ি ফেরে। এর পরে পরিবারের সদস্যদের সাহায্যে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। থানাতেও অভিযোগ জানানো হয়। নির্যাতিতার বয়ান শুনে পকসো ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমাজমাধ্যমে পোস্ট। ছবি: এক্স।
এ বিষয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘ভারতে ধর্ষণের রাজধানী হিসাবে দিল্লি তার মর্যাদা বজায় রেখেছে।’’ তাঁর পোস্টে উল্লেখ রয়েছে নির্ভয়া কাণ্ডের কথাও। তিনি লেখেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলায় সফরে এসে যে ‘পরিবর্তনের’ কথা বলছেন, তা করা উচিত বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলি থেকেই।’’ তিনি আরও লেখন, যে সরকার মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, বিশুদ্ধ বাতাস ও জল দিতে পারে না, বা প্রাণঘাতী বিস্ফোরণ আটকাতে পারে না, তাদের বাংলায় ভোট চাওয়ার কোনও নৈতিক অধিকার নেই।